বিজ্ঞাপন

ইউনিসেফের টিকাদানবিষয়ক প্রধান এফরেম লিমাঙ্গো জানান, গত বছর বিশ্বজুড়ে ১ কোটি ৭১ লাখ শিশু কোনো টিকাই পায়নি। আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৩৬ লাখ। এসব শিশুর অনেকেই বস্তিতে কিংবা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে বসবাস করে।

গত বছর বিশ্বের ২ কোটি ২৩ লাখ শিশু হামের টিকার প্রথম ডোজ পায়নি বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। এর ফলে আফগানিস্তান, মালি, সোমালিয়া, ইয়েমেনের হাসপাতালগুলোয় হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। এ সময় বিশ্বজুড়ে ৬৬টি দেশ করোনা সংক্রমণ, লকডাউনের কারণে শিশুদের জন্য পরিচালিত অন্তত একটি টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।

শিশুদের সংক্রামক রোগগুলোর অন্যতম হলো হাম। তুলনামূলক দুর্বল স্বাস্থ্যসেবাব্যবস্থার কারণে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোয় হামে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা মারা যায়। পোলিওতে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গু হয়ে যায় শিশুরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি শিশুদের প্রাণঘাতী রোগের মুখে ঠেলে দিয়েছে। টিকাদানের বৈশ্বিক অর্জনগুলো ঝুঁকিতে পড়েছে।

এই বিষয়ে ডব্লিউএইচওর টিকাদানবিষয়ক পরিচালক কেট ও’ ব্রায়েন বলেন, ‘করোনার কারণে বিশ্বজুড়ে শিশুদের টিকাদানে এই ব্যর্থতা আমাদের এক দশকের বেশি পিছিয়ে দিয়েছে।’

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন