বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কিয়েভ দাবি করেছে, তাঁদের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধজাহাজটিতে আঘাত হানে। তবে কোনো হামলার কথা জানায়নি মস্কো। তারা বলছে, অগ্নিকাণ্ডের পর যুদ্ধজাহাজটি ডুবে গেছে।

রাশিয়া বলছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণে জাহাজটিতে থাকা গোলাবারুদের বিস্ফোরণ ঘটে। সব নাবিককে কৃষ্ণসাগরে থাকা নিকটবর্তী রুশ জাহাজগুলোতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

শুরুতে যুদ্ধজাহাজটি ভেসেছিল বলে জানানো হয়। পরে গতকাল দিনের শেষ দিকে রুশ সংবাদমাধ্যমগুলো মস্কভা ডুবে যাওয়ার খবর দেয়।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস জানায়, গোলাবারুদ বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়লে জাহাজটির মূল কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্দরের দিকে টেনে নেওয়ার সময় এটি ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় জাহাজটি ডুবে যায়।

তবে ইউক্রেনের সামরিক কর্মকর্তারা বলেন, দেশটিতে তৈরি নেপচুন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তাঁরা মস্কভায় হামলা চালিয়েছেন। ২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে নেওয়ার পর এবং কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের নৌ হুমকি বেড়ে যাওয়ায় এই অস্ত্র তৈরি করা হয়।

রাশিয়ার বার্তা সংস্থাগুলো বলছে, মস্কভা ১৯৮৩ সালে কমিশন লাভ করে। এই যুদ্ধজাহাজটি ৭০০ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানতে সক্ষম ১৬টি ভুলকান ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সজ্জিত। এ ছাড়া এতে রয়েছে সাবমেরিন–বিধ্বংসী ও মাইন-টর্পেডো অস্ত্র।

যদি ইউক্রেনের হামলার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়, তাহলে ১২ হাজার ৪৯০ টনের মস্কভা হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শত্রুর হামলায় ডুবে যাওয়া সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ। সিরিয়ার যুদ্ধেও মিসাইল ক্রুজারটি মোতায়েন করেছিল রাশিয়া।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরুর পর মস্কভা দ্বিতীয় কোনো গুরুত্বপূর্ণ রুশ যুদ্ধজাহাজ, যা হামলার শিকার হলো। গত মাসে রাশিয়ার ল্যান্ডিং সাপোর্ট জাহাজ সারাতোভ ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছিল ইউক্রেন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন