বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পালিয়ে গেলেও চিড়িয়াখানার সীমানা পেরোতে পারেনি নেকড়েগুলো। ভেতরেই মুক্তভাবে ঘুরে বেড়িয়েছে। সেখানকার কর্মকর্তা ফ্যাবিয়েন চোলেট বলেন, ঘটনার সময় চিড়িয়াখানায় অল্পসংখ্যক দর্শনার্থী ছিলেন। তাঁদের কোনো বিপদ হয়নি। নেকড়েগুলো কাউকে আক্রমণ করেনি।

এ ঘটনার পর দ্রুত চিড়িয়াখানাটি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। আর পালিয়ে গেলেও নেকড়েগুলোর শেষ রক্ষা হয়নি। নয়টির মধ্যে চারটি নেকড়ে গুলিতে মারা গেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওগুলো ‘বিপজ্জনক আচরণ’ করছিল। বাকি পাঁচটি নেকড়েকে অজ্ঞান করে নিরাপত্তাবেষ্টনীর ভেতরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া নেকড়েগুলোকে ফেরানো হলেও চিড়িয়াখানাটি আপাতত খুলছে না। ফ্যাবিয়েন চোলেট জানান, নিরাপত্তা ত্রুটি পুরোপুরি দূর করার আগপর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে চিড়িয়াখানা। আগামী জানুয়ারির মাঝামাঝিতে তা খুলে দেওয়া হতে পারে।

চিড়িয়াখানাটির মালিক সুভ্যের ফেরেরা বলেন, ‘নেকড়েগুলোকে সম্প্রতি চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছিল। প্রাণীগুলো হয়তো এখনো নতুন পরিবেশে অভ্যস্ত হতে পারেনি। তাই বেড়া ডিঙিয়ে পালিয়েছিল।’ সব মিলিয়ে ৬০ হেক্টরের বেশি জায়গাজুড়ে চিড়িয়াখানাটির অবস্থান। এখানে বানর, সিংহসহ ছয় শতাধিক প্রাণী রয়েছে।

আগেও এই চিড়িয়াখানা সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছিল ফ্রান্স সরকার। চলতি বছরের অক্টোবরে দেশটির ইকোলজিক্যাল ট্রানজিশনবিষয়ক মন্ত্রী বারবারা পম্পিলি কর্মীদের নিরাপত্তা ও প্রাণীদের কল্যাণমূলক কার্যক্রমে ঘাটতি থাকার অভিযোগে এটি বন্ধের নির্দেশ দেন। কয়েক দিন পর দেশটির একটি আদালত মন্ত্রীর সেই নির্দেশ বাতিল করে দেন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন