বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাতিসংঘের মহাসচিব আরও বলেছেন, এবারের কপ-২৬ সম্মেলন থেকে সম্ভবত গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন যথেষ্ট পরিমাণে কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্গীকার করতে দেখা যাবে না।

বিবিসি বলছে, আজ ১২ নভেম্বর জলবায়ু সম্মেলনের শেষ দিনে একটি অর্থপূর্ণ চুক্তি করার জন্য দেশগুলোর জন্য চাপ বাড়ছে ৷ তবে জাতিসংঘের মহাসচিব বলছেন, শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত তিনি আশা দেখতে পাচ্ছেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখা গেলে তা মানবজাতিকে জলবায়ুর সবচেয়ে খারাপ প্রভাব এড়াতে সাহায্য করবে।

বিশ্ব নেতারা ২০১৫ সালে ব্যাপক নির্গমন হ্রাসের মাধ্যমে ১.৫ ডিগ্রি থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বিশ্বকে উষ্ণতা বৃদ্ধি থেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সর্বশেষ পূর্বাভাস বলছে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২.৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।

গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়ন চালু রেখে কার্বন নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি অর্থহীন। জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্প যখন ট্রিলিয়ন ডলারের ভর্তুকি পায় তখন এসব প্রতিশ্রুতি ফাঁকা বুলি ছাড়া আর কিছু নয়।

এবারের গ্লাসগোয় জলবায়ু সম্মেলনে যেসব ঘোষণা এসেছে তা যথেষ্ট নয় বলেই মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের কি করতে হবে আমরা তা জানি।’

এর আগে কপ ২৬ সম্মেলনের প্রেসিডেন্ট ও ব্রিটিশ মন্ত্রী অলোক শর্মা বলেছেন, সময় দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। খসড়া ঘোষণার অনেক বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অর্থায়নের বাস্তবসম্মত কৌশল খুঁজতে আমাদের আরও কাজ করতে হবে। আশা করছি, সম্মেলন থেকে উচ্চাভিলাষী, ব্যাপক ও ভারসাম্যপূর্ণ একটি ফলাফল পেতে আজ শুক্রবারের মধ্যে দেশগুলো মতৈক্যে পৌঁছাবে।’

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন