এই কার্যলয়ে বেশকিছু দায়িত্বও পালন করে থাকে ল্যারি। ব্রিটিশ সরকারের ওয়েব সাইটে ল্যারির পরিচয় উল্লেখ রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইদুর ধরার বিশেষ ক্ষমতার জন্য ল্যারিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ল্যারি এই কার্যলয়ে রয়েছে।

সম্প্রতি ল্যারির যেসব ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তার মধ্যে বিবিসির একটি ভিডিও রয়েছে। এতে দেখা যায়, বিবিসির করেসপডেন্ট রস অ্যাটকিনস লাইভ করছিলেন ডাউনিং স্ট্রিট থেকে। এ সময় ল্যারিকে দেখা যায় রসের পেছনে। পরে জুম করে ল্যারিকে দেখানো হয়। তখন একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘তুমিও কি বরিস জনসনের পদত্যাগ চেয়েছ?’

ল্যারির ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর একজন টুইটবার্তায় লিখেছেন, ‘আমি মনে করি, ল্যারিকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী করতে ভোট দেওয়া উচিত। কনজারভেটিভ পার্টির যেকোনো নেতার চেয়ে ল্যারি তার কাজটা ভালোভাবে করেছে।’

ল্যারির নামেও একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এর একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘আমি (ল্যারি) অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনে ইচ্ছুক।’ বরিসের চেয়ে তাকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করা ভালো হবে বলেও টুইটে উল্লেখ করা হয়েছে।

বরিস জনসনের পদত্যাগের গুঞ্জন শুরুর পর থেকে বেশ কিছু মজার টুইট করা হয়েছে ল্যারির অ্যাকাউন্ট থেকে। বরিসের পদত্যাগের দিন একটি টুইটে লেখা হয়েছে, ‘বরিস জনসন যদি সকাল ১০টার মধ্যে পদত্যাগ না করেন তবে আমি তার জুতোয় পায়খানা করে দেব।’ বরিস পদত্যাগের পর সেই টুইট বার্তাটা আবার শেয়ার করে লেখা হয়েছে, ‘বরিসেক পদত্যাগ করাতে সক্ষম হয়েছি।’

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন