default-image

বাবার কাছে লেখা চিঠি প্রকাশ করে তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাজ্যের একটি সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে করা মামলায় জিতেছেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য মেগান মার্কেল। খবর এএফপির।

‘মেইল অন সানডে’ পত্রিকার বিরুদ্ধে করা ওই মামলায় স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার রুল দেন ব্রিটিশ হাইকোর্টের একজন বিচারক। বিচারক মার্ক ওয়ারবি রুলে বলেন, চিঠির বিষয়বস্তু গোপন থাকবে, মেগানের এ প্রত্যাশা করা ছিল যৌক্তিক।

বিচারকের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেল বলেন, ব্যক্তিগত চিঠি প্রকাশ করে পত্রিকা প্রকাশক তাঁর খুব ক্ষতি করেছেন।

মানুষ বিশ্বাসযোগ্য, যাচাইকৃত ও উচ্চ গুণমানসম্পন্ন সংবাদ চায়। কিন্তু “মেইল অন সানডে” ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো যা করেছে, তা এর উল্টো।
মেগান মার্কেল, ডাচেস অব সাসেক্স

২০১৯ সালের অক্টোবরে ওই পত্রিকার প্রকাশকের বিরুদ্ধে তথ্য সুরক্ষা আইনে মামলা করেন মেগান। ২০১৮ সালের মে মাসে ব্রিটিশ রাজসিংহাসনের ষষ্ঠ উত্তরাধিকারী প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক টেলিভিশন অভিনেত্রী মেগানের বিয়ে হয়। সে অনুষ্ঠানে যোগ দেননি তাঁর বাবা টমাস মার্কেল। পরে ওই বছরের আগস্টে বাবাকে চিঠি লেখেন মেগান। চিঠিতে বাবার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের টানাপোড়েনের বিষয় ছিল। কিন্তু ট্যাবলয়েড পত্রিকাটি চিঠিটি প্রকাশ করে দেয়।

বিজ্ঞাপন

চিঠিতে মেগান মার্কেল ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলোর সঙ্গে তাঁর বাবাকে কথা বলা বন্ধ করতে অনুরোধ জানান। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে মেগানকে নিয়ে অসত্য না বলতেও অনুরোধ জানান। বিচারক এ চিঠিকে মেগানের ‘একটি ব্যক্তিগত ও গোপনীয় চিঠি’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, চিঠিতে মেগানের নিজস্ব আচার-আচরণের পাশাপাশি তাঁর বাবার কর্মকাণ্ড নিয়ে নিজের কষ্টের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।

‘মেইল অন সানডে’ পত্রিকার পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়া কৌঁসুলিরা বলেন, চিঠি নিয়ে এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ‘পিপল’-এ প্রকাশিত একটি নিবন্ধের ভুল তথ্য সংশোধন করিয়ে দিতেই পরে চিঠির সারাংশ প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। তবে বিচারক বলেছেন, এটি ছিল বেআইনি।

মেগান মার্কেল ‘মেইল অন সানডে’ সাপ্তাহিকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘ডেইলি মেইল’ ও নিউজ ওয়েবসাইট মেইল অনলাইনের বিরুদ্ধে লোকজনের ব্যক্তিগত অনুভূতি নিয়ে খেলা করার অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ বিশ্বাসযোগ্য, যাচাইকৃত ও উচ্চ গুণমানসম্পন্ন সংবাদ চায়। কিন্তু “মেইল অন সানডে” ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো যা করেছে, তা এর উল্টো।’

২০১৯ সালের অক্টোবরে ওই পত্রিকার প্রকাশকের বিরুদ্ধে তথ্য সুরক্ষা আইনে মামলা করেন মেগান। ২০১৮ সালের মে মাসে ব্রিটিশ রাজসিংহাসনের ষষ্ঠ উত্তরাধিকারী প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক টেলিভিশন অভিনেত্রী মেগানের বিয়ে হয়। সে অনুষ্ঠানে যোগ দেননি তাঁর বাবা টমাস মার্কেল। পরে ওই বছরের আগস্টে বাবাকে চিঠি লেখেন মেগান। চিঠিতে বাবার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের টানাপোড়েনের বিষয় ছিল। কিন্তু ট্যাবলয়েড পত্রিকাটি চিঠিটি প্রকাশ করে দেয়।

আইনজীবী মার্ক স্টিফেনস এএফপিকে বলেন, ‘ডাচেস অব সাসেক্সের জন্য এটি একটি বড় জয়।’ মামলায় জেতার ফলে মেগান যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাবেন, তা প্রকাশ করা হয়নি।

বিজ্ঞাপন
ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন