একটি ডিক্রি জারি করে পাঁচ দেশের রাষ্ট্রদূতদের বরখাস্ত করার কথা জানানো হলেও তাঁদের বরখাস্ত করার কোনো কারণ অবশ্য জানানো হয়নি। এ ছাড়া বরখাস্ত হওয়া এসব রাষ্ট্রদূতকে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হবে কিনা তাৎক্ষণিক তা জানা যায়নি।

২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ বাহিনী ইউক্রেনে হামলা করলে যুদ্ধ শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায় এবং ইউক্রেনের জন্য সামরিক সহযোগিতা পেতে কূটনৈতিকদের কাজ করতে আহ্বান জানিয়ে আসছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।

জার্মানি হলো ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি। এদিকে দেশটি রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। ইউরোপের অন্য দেশের মতো সমর্থন ও সহযোগিতা না পাওয়ায় জার্মানির সঙ্গে ইউক্রেনের সম্পর্ক এখনো কিছুটা শীতল।

এদিকে ভারত হলো রাশিয়ার মিত্র দেশ। যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেন যেভাবে ভারতের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছিল পশ্চিমা বিশ্বের চাপ সত্ত্বেও নয়াদিল্লির কাছ থেকে তেমন সহযোগিতা পায়নি কিয়েভ। রাষ্ট্রদূত বরখাস্তে এটিও কারণ হতে পারে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন