বিজ্ঞাপন

ভিক্টোরিয়ায় গত বছর হঠাৎ সংক্রমণ বেড়ে গিয়েছিল। করোনার দ্বিতীয় ওই ধাক্কা সেখানে ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ওই ধাক্কায় ভিক্টোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। আর মারা গিয়েছিলেন ৮২০ জন, যা দেশটির মোট সংক্রমণের ৭০ শতাংশ। ভিক্টোরিয়া সংক্রমণের ওই ধাক্কা সামাল দিতে ১১২ দিন লকডাউন কার্যকর রেখেছিল। এরপর সেখানে সংক্রমণ শূন্যে নেমে আসে।

default-image

করোনাভাইরাসের সার্বক্ষণিক তথ্য সরবরাহকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের দেওয়া তথ্য অনুসারে, অস্ট্রেলিয়ায় মোট সংক্রমণ ৩০ হাজারের বেশি। মারা গেছেন ৯১০ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ২৯ হাজারের বেশি। দেশটিতে আজ নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন। বলা হচ্ছে, নতুন যে সংক্রমণ শুরু হয়েছে, তা গত বছরের তুলনায় বেশি।

ভিক্টোরিয়া সরকারের ভারপ্রাপ্ত প্রধান জেমস মেরলিনো বলেন, দ্রুত যেভাবে ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, তা ঠেকাতে এই লকডাউন দেওয়া জরুরি ছিল। সেখানকার পরিস্থিতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘করোনার সংক্রমণের যে রেকর্ড রয়েছে, তার থেকে দ্রুত ছড়াচ্ছে এবারের সংক্রমণ।’

জেমস মেরলিনো বলেন, ‘যাঁরা সংক্রমিত হয়েছেন বিভিন্ন সময়, তাঁদের সংস্পর্শে এসেছেন—এমন ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। ভিক্টোরিয়ায় দেড় শ স্থানে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ঘুরেছেন। আমাদের এখনই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল।’

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন