default-image

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় বন্দুকধারীর গুলিতে চার ব্যক্তির নিহত হওয়ার ঘটনায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা একজন রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

গত সোমবার স্থানীয় সময় রাতে ভিয়েনায় ছয়টি স্থানে ‘হামলা’ চালানো হয়। হামলায় চারজন নিহত হন। আহত হন কমপক্ষে ১৫ জন। ঘটনার সময় সন্দেহভাজন এক হামলাকারী পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এই ঘটনাকে ‘বিদ্বেষপূর্ণ সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কুর্জ।

অস্ট্রিয়ার কর্তৃপক্ষ বলছে, পুলিশের গুলিতে নিহত সন্দেহভাজন হামলাকারীর বয়স ২০ বছর। তাঁর অস্ট্রিয়া ও উত্তর মেসিডোনিয়ার দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দিতে সিরিয়ায় যাওয়ার চেষ্টার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়ে তিনি জেলও খাটেন।

বিজ্ঞাপন

অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ল নেহামার বুধবার জানান, হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে মঙ্গলবার পুলিশ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের বয়স ১৮ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে তাঁদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
নেহামার বলেন, হামলার ঘটনায় অস্ট্রিয়ায় যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাঁদের সবার অভিবাসন-সংক্রান্ত ইতিহাস আছে

ভিয়েনার পুলিশপ্রধান গেরহার্ড পুয়ার্স্টেল জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বাংলাদেশ, উত্তর মেসিডোনিয়া, তুরস্ক বা রাশিয়ার দ্বৈত নাগরিকত্ব আছে।

অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ল নেহামার জানান, মোবাইলের অনেক ফুটেজ থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ভিয়েনায় বন্দুকধারী একাই হামলা চালিয়ে চারজনকে হত্যা করেন।
ওই বন্দুকধারী ভিয়েনায় জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই বেড়ে ওঠেন।
এদিকে ভিয়েনায় হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে সুইজারল্যান্ড। দেশটির আইনমন্ত্রী বলেছেন, গ্রেপ্তার দুজনের সঙ্গে বন্দুকধারীর বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল।

মন্তব্য পড়ুন 0