বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোববার এ নিয়ে নির্ধারিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের আলোচনায় ব্রিটেনের উপস্থিতি বাতিল করেছে ফ্রান্স। সাংবাদিকেরা জনসনকে চিঠিটি পাঠানো এবং তা টুইটারে শেয়ার করা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন কি না, তা প্রশ্ন করেন। এ জবাবে তিনি বলেন, ‘না।’

ব্রেক্সিট নিয়ে একাধিক বিবাদের পর দুই প্রতিবেশীর মধ্যে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বাজে সম্পর্ক চলছে। গত বুধবার ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবিতে ২৭ অভিবাসী নিহত হওয়ার পর যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে লেখা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফ্রান্স সরকারের ক্ষোভ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বরিস জনসন ফ্রান্সকে দোষারোপ করে বলেন, উপকূলে ফ্রান্স যৌথ টহলে সম্মত হয়েছিল। এ ছাড়া ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়া অভিবাসীদের ফেরত নেওয়ার কথা বলেছিল। এ চিঠির পরপরই যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেলের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বাতিল করেছে ফ্রান্স।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন