বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই ইস্পাত কারখানা এলাকায় আজভ রেজিমেন্টের সেনাদের পাশাপাশি এখনো বাংকারে প্রায় ২০০ বেসামরিক নাগরিক অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ‘নরকসম এ স্থান’ থেকে লোকজনকে সরিয়ে আনতে সবকিছুই করা উচিত।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রুশ বাহিনী বেসামরিক লোকজনকে নিরাপদে সরে আসার পথ করে দিতে প্রস্তুত। কিন্তু যোদ্ধাদের অবশ্যই আত্মসমর্পণ করতে হবে।

ইতিমধ্যে মারিউপোলে বিজয় ঘোষণা করেছেন পুতিন। নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা না করে বরং রুশ বাহিনীকে বিশাল এ শিল্পাঞ্চল অবরুদ্ধ করে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। স্নায়ুযুদ্ধের সময় পরমাণবিক হামলা থেকে বাঁচতে বাংকার হিসেবে ব্যবহার উপযোগী করে কারখানা এলাকাটি প্রস্তুত করা হয়। এর মাটির অনেক গভীরে রয়েছে সুড়ঙ্গপথের নেটওয়ার্ক।

ইস্পাত কারখানায় এখনো ইউক্রেনীয় বাহিনীর আজভ রেজিমেন্ট এবং স্বল্পসংখ্যক মেরিন, সীমান্তরক্ষী ও পুলিশ সদস্য অবস্থান করছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, সেখানে রুশ হামলা অব্যাহত রয়েছে।

রাত্রিকালীন ভাষণে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও বলেছেন, রুশ বাহিনী গোলাবর্ষণ করছে। শক্তিপ্রয়োগ করে ইস্পাত কারখানা নিয়ন্ত্রণে তাঁদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, ‘এই নারকীয় অবস্থাটা একটু কল্পনা করুন। সেখানে শিশুরা রয়েছে। দুই মাসের বেশি সময় ধরে টানা গোলাবর্ষণ, বোমা হামলা চলছে। প্রতিনিয়ত পাশে লাশ পড়ছে।’

ইতিমধ্যে মারিউপোল ও আশপাশের এলাকা থেকে দুই বহরে প্রায় ৫০০ জনকে সরিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তৃতীয় দফায় আরও লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের প্রধান মার্টিন গ্রিফিথস বলেছেন, মারিউপোল শহর ও আজভস্তাল কারখানা থেকে আরও বেসামরিক নাগরিককে সরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন তাঁরা। এখনো কারখানা এলাকায় কয়েক শ মানুষ আটকা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার পাশাপাশি উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ দিক থেকে স্থল অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। পরে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরোধের মুখে উত্তর দিক থেকে সেনা সরিয়ে পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে হামলা জোরদার করে মস্কো।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন