বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভঙ্গে আইনে দায়সারাভাবে বেঁচে গেলেও কপিরাইট আইন ভঙ্গ করায় অর্থ দিতে রাজি হয়েছেন দ্য মেইল অন সানডে প্রকাশক। তবে অর্থের পরিমান বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এদিকে দ্য মেইলের বিরুদ্ধে মামলা চালাতে গিয়ে ১০ লাখ পাউন্ডের বেশি ব্যয় হয়েছে মেগানের, যে অর্থও সংবাদপত্রটিকে বহন করা লাগতে পারে।

প্রায় তিন বছর ধরে দ্য মেইল অন সানডে এবং মেইল অনলাইনের বিরুদ্ধে মামলায় লড়েছেন মেগান মার্কেল। আদালতের রায়ের পর তিনি বলেছেন, অর্থের চেয়ে এখানে নৈতিকতার বিষয়টি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এই রায় নিয়ে আদালত আরও বলেছেন, মেগানের পাঁচ বন্ধুর পরিচয় প্রকাশ করা না যাবে না। মেগানের বন্ধুরা ২০১৮ সালে নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাজ্যের রাজপরিবার নিয়ে পিপল ম্যাগাজিনে বক্তব্য দিয়েছিলেন। মামলার আইনি লড়াই চলাকালে সংবাদপত্রটি তাঁদের নাম–পরিচয় প্রকাশ করেছিল।

রায়ে আদালত দারুণ কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন সংবাদমাধ্যমটিকে। আইনি লড়াইয়ে হেরে যাওয়ার বিষয়টি দ্য মেইল অন সানডের প্রথম পাতায় এবং মেইল অনলাইনের হোমপেজে রাখতে বলেছেন আদালত। এমনকি সংবাদটি কোন ফন্টে প্রকাশ করতে হবে, সেটিও আদালত নির্দিষ্ট করে বলে দিয়েছেন। আর এই সংবাদটি বক্সিং ডে–তে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দ্য মেইল মামলার কার্যক্রম চালিয়ে নিতে চাইলেও আদালত তাঁদের সেই সুযোগ না দিয়ে এই রুল দিয়েছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া রুলে আদালত বলেছেন, বাবাকে পাঠানো চিঠির গোপনীয়তা রক্ষায় ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেলের প্রত্যাশার যথেষ্ট কারণ আছে। আপিল জজ স্যার জিওফ্রে ভস বলেছেন, ‘ওই সব আধেয় ব্যক্তিগত ও গোপনীয়। এসব তথ্য জনসমক্ষে আনা বৈধ নয়।’

ঘটনা এখানেই শেষ নয়। ফোন হ্যাকিংয়ের অভিযোগে মিডিয়া মোগল রুপার্ট মারডকের মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম নিউজ ইউকে এবং ডেইলি মিররের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান রিচের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছেন মেগানের স্বামী প্রিন্স হ্যারি। আর সেই মামলার শুনানি এই বছরেই হতে পারে বলে জানা গেছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন