বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শলৎজের এখনকার কাজ হচ্ছে ম্যার্কেলের জুতায় পা গলানো। তবে এর আগে ম্যার্কেলকে বিদায় জানাতে গিয়ে শলৎজ পারস্পরিক সহযোগিতার কথাই বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সব সময় খুব বিশ্বাসযোগ্য সহযোগিতা ছিল। এটা ভালো। আমি বিশ্বাস করি, আমরা একটি শক্তিশালী, সক্ষম গণতন্ত্র, যেখানে গণতন্ত্র, সহযোগিতার মধ্যে প্রচুর ঐকমত্য রয়েছে।’

বার্লিনে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন জোট সরকারের নেতারা নতুন সরকারের রূপরেখার ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর জার্মানির ২০তম নির্বাচনের পর দীর্ঘ ১০ সপ্তাহ দলগুলো নিজেদের মধ্য আলোচনা করে। পরবর্তী সময়ে সামাজিক গণতান্ত্রিক দল, পরিবেশবাদী সবুজ দল এবং লিবারেল গণতান্ত্রিক দল জোটবদ্ধভাবে আগামী চার বছর সরকার চালাতে একমত হয়। এর আগে নতুন জোট সরকারভুক্ত তিনটি দলই দলীয় সম্মেলন করে দলের সদস্যদের সম্মতি গ্রহণ করে।

নবগঠিত জোট সরকারের রূপরেখায় নাগরিক সুবিধাসমূহে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ন্যূনতম মজুরি, পেনশন বৃদ্ধি এবং শিশু ও তরুণদের অধিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, নারীদের গর্ভপাতবিষয়ক বৈষম্যমূলক আইন বাতিল, অভিবাসীদের ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব আইন আরও সহজ করার কথা বলা হয়েছে। হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম ও কিন্ডারগার্টেনে চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেলের কথা বলা হয়েছে।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পুঁজিবাজারে অর্থ বিনিয়োগে জনসাধারণকে উৎসাহী করতে সহজ নিয়ম করার কথা বলা হয়েছে। জার্মানিতে এই মুহূর্তে তীব্র গৃহসংকটের মুখে প্রতিবছর চার লাখ গৃহ নির্মাণের পরিকল্পনা ও গৃহনির্মাণে সরকারি ভর্তুকির ও আর্থিক সহায়তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জলবায়ু সুরক্ষার ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিবেশদূষণকারী যেকোনো পরিকল্পনা বাতিল করা হবে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন