বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারিভাবে যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, প্রকৃত রোগীর সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি হবে। কারণ, বড়দিন ও খ্রিষ্টীয় নববর্ষকে কেন্দ্র করে সব জায়গার তথ্য পুরোপুরি সংগ্রহ করা যায়নি। তা ছাড়া সংক্রমিত ব্যক্তিদের অনেকে পরীক্ষা করাননি।

গতকাল সরকারিভাবে যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের চার দিনের ও ওয়েলসের দুই দিনের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইংল্যান্ডেই ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭২৫ জন। আগের ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৪১।

গতকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইংল্যান্ডে এখন ১৫ হাজার ৪৪ জন করোনা রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এক সপ্তাহ আগে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৫৪৬ জন।

একই সময়ে স্কটল্যান্ডের হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তি হওয়ার সংখ্যা বাড়তে দেখা গেছে। স্কটল্যান্ডের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৫৯৯ থেকে বেড়ে ১ হাজার ১৪৭ হয়েছে।

তবে গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনে ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের করোনার তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
অমিক্রনের সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় এখন দৈনিক ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা কম।

টিকা নেওয়া কিংবা পূর্ববর্তী সংক্রমণের কারণে করোনার বিরুদ্ধে অনেক মানুষের প্রতিরোধক্ষমতা অর্জিত হওয়ায় দৈনিক হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা কম বলে মনে করা হচ্ছে।

গণটিকা কর্মসূচির আগে গত শীতে যুক্তরাজ্যের হাসপাতালগুলোয় দৈনিক সাড়ে চার হাজারের বেশি করোনা রোগী ভর্তি হতে দেখা গেছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন