বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল যুক্তরাজ্যে পৌঁছানো দলে ৩০ জনের বেশি কিশোরী ফুটবলার রয়েছে। তাদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। সব মিলিয়ে ১৩০ জনের মতো আফগানকে দেশটিতে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যে বসবাসের আগে তাদেরকে ১০ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

যুক্তরাজ্যে নিরাপদে পৌঁছাতে এই কিশোরীদের পাশে শুধু কিম কার্ডাশিয়ানই দাঁড়াননি। তাদের সহায়তায় হাত বাড়িয়েছে যুক্তরাজ্যের ফুটবল ক্লাব লিডস ইউনাইটেড থেকে শুরু করে মার্কিন একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানও।

সহায়তাকারী এমনই একজন খালিদা পোপাল। কিশোরী খেলোয়াড়দের যুক্তরাজ্যে নেওয়ার পুরো বিষয়টি দেখভাল করেছেন আফগানিস্তানের নারী ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক। খালিদা বলেন, তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর কিশোরী ফুটবলারদের অনেকের পরিবারকে ঘর ছাড়তে হয়েছে। তাদের ঘরবাড়িও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। তালেবান অনেকের পরিবারের সদস্যদের আটক করে নিয়ে গেছে, এমনকি হত্যাও করেছে। এর জের ধরে তাদের ওপর বড় বিপদ ও চাপ ছিল। তাই তাদের জন্য আফগানিস্তান ত্যাগ করা জরুরি হয়ে পড়েছিল।

আফগানিস্তানের কিশোরী ফুটবলারদের কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন লিডস ইউনাইটেডের চেয়ারম্যান আন্দ্রিয়া রাদ্রিজ্জানি। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘আজ তারা যুক্তরাজ্যে এল। তাদের আনতে যাঁরা কাজ করেছেন, তাঁদের সঙ্গে থাকতে পেরে আমি গর্বিত। স্বপ্ন দেখছি, তারা একদিন লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলবে বলে।’

এদিকে শুধু কিশোরী ফুটবলার নয়, আফগানিস্তান তালেবানের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর দেশটি ছেড়েছেন অন্য খেলাধুলার সঙ্গে জড়িত নারীরাও। আফগানিস্তানের জাতীয় নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের আশ্রয় মিলেছে অস্ট্রেলিয়ায়। আর ইয়ুথ গার্লস দলের খেলোয়াড়েরা অবস্থান করছেন পর্তুগালে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন