বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোববার থেকে শুরু হয়ে জেনেভায় সপ্তাহব্যাপী চলবে কূটনৈতিক পর্যায়ের আলোচনা। সেখানে ন্যাটো ও অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কো–অপারেশন ইন ইউরোপের (ওএসসিই) সঙ্গে বৈঠক করবে রাশিয়া। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েন্ডি শারম্যান। রাশিয়ার পক্ষে থাকছেন সের্গেই রিয়াকভ।

আলোচনার আগে রুশ বার্তা সংস্থাকে রিয়াকভ বলেন, ইউক্রেন বিষয়ে কোনো ছাড় দিতে রাজি হবে না রাশিয়া। এটি সম্পূর্ণ আলোচনার বাইরে থাকবে। এ ছাড়া গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস থেকে আসা নানা ইঙ্গিত রাশিয়াকে হতাশ করেছে বলে উল্লেখ করেছেন রিয়াকভ। ব্রাসেলসেই ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।

এদিকে ওয়েন্ডি শারম্যান বলেছেন, সংকট সমাধানে রাশিয়ার আনা অনেক প্রস্তাবই সফলতার মুখ দেখবে না। ‘রাশিয়া ইউক্রেনের মাথায় বন্দুক ধরে আছে’ বলে উল্লেখ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। এ কারণে আলোচনার কোনো অগ্রগতি হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

হুঁশিয়ারি দিয়ে গত শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাশিয়া আরও আগ্রাসন চালালে আমরা এর কড়া জবাব দিতে প্রস্তুত। তবে রাশিয়া চাইলে কূটনৈতিক সমাধান এখনো সম্ভব।’

রাশিয়া ইউক্রেনে আগ্রাসন চালালে এর পরিণতি মারাত্মক হবে বলে এর আগে এক ফোনালাপে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সংশ্লিষ্ট এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ চালালে ন্যাটোর সদস্যদেশ পোল্যান্ড ও বাল্টিক দেশগুলোতে আরও সেনা মোতায়েন করবে ওয়াশিংটন। এমন কিছু হলে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত ইউরোপের প্রভাবশালী দেশগুলোও।

২০১৪ সালে এক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে উত্খাত হয় তত্কালীন ইউক্রেন সরকার। ওই সরকার পশ্চিমাবিরোধী এবং রাশিয়ার পক্ষে ছিল। ইউক্রেনের রুশপন্থী সরকারের পতনের পর দেশটির অধীনে থাকা ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া। এ ছাড়া পূর্ব ইউক্রেনে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদদ দেয় রাশিয়া। এসব ঘটনায় ১৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন