বিজ্ঞাপন

রাজকীয় দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর ২০২০ সালের জানুয়ারিতে রানির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন হ্যারি, মেগান, হ্যারির বাবা প্রিন্স চার্লস ও বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম। বৈঠকে হ্যারি এবং মেগান রাজপরিবারের উপাধি ‘রয়েল হাইনিস’ ও ‘সাসেক্স রয়াল’ ত্যাগ করতে রাজি হন।

তবে রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য হিসেবে হ্যারি ও মেগান তাঁদের নেওয়া সিদ্ধান্ত এক বছর পর পর্যালোচনা করে দেখার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁরা এখন স্থায়ীভাবে ওই দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

বাকিংহাম প্যালেস বলেছে, হ্যারি-মেগান রানির কাছে জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যের দায়িত্বে আর কখনো ফিরবেন না। রানিও লিখিতভাবে তাঁদের এ বিষয় নিশ্চিত করেছেন। রাজপরিবারে হ্যারি-মেগান দম্পতির দায়িত্ব ও প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা এই পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হবে।

অবশ্য রাজপরিবারে হ্যারি ও মেগানের আনুষ্ঠানিক পদবি ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স বহাল থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া হ্যারি ব্রিটিশ সিংহাসনের ষষ্ঠ উত্তরাধিকার হিসেবে থেকে যাবেন এবং সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হওয়ার এই ক্রমে কোনো পরিবর্তন হবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে বাকিংহাম প্যালেস এক বিবৃতিতে বলেছে, হ্যারি ও মেগানের ওই সিদ্ধান্ত দুঃখজনক হলেও তাঁরা রাজপরিবারের অত্যন্ত প্রিয় সদস্য হিসেবেই থাকবেন।

আফগানিস্তানে ব্রিটিশ সৈন্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হ্যারির (৩৬) ওই সিদ্ধান্তের ফলে তাঁকে ব্রিটিশ রয়েল মেরিন, বিমান ও নৌবাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খেতাব ও সম্মাননাও ত্যাগ করতে হবে।

রাজপরিবারে হ্যারি ও মেগানের আনুষ্ঠানিক পদবি ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স বহাল থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া হ্যারি ব্রিটিশ সিংহাসনের ষষ্ঠ উত্তরাধিকার হিসেবে থেকে যাবেন এবং সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হওয়ার এই ক্রমে কোনো পরিবর্তন হবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত বছর হ্যারি ও মেগানের রাজকীয় দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণার পর সারা বিশ্বে গুজব রটে, হ্যারির সঙ্গে তাঁর ভাই প্রিন্স উইলিয়ামের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। এ ছাড়া নানা কঠোর বিধিনিষেধের কারণে সাবেক হলিউড অভিনেত্রী মেগান রাজপরিবারে অস্বস্তিতে রয়েছেন বলে খবর বের হয়।

তবে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, এসব ডাহা মিথ্যা। সংবাদমাধ্যমের বানানো উড়ো খবর।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন