পশ্চিমা বিশ্বের প্রসঙ্গ টেনে পুতিন বলেন, ‘এখন আমরা শুনছি তাঁরা যুদ্ধক্ষেত্রে আমাদের পরাজিত করতে চায়। আপনারা এখানে কী বলতে পারেন? তাদের চেষ্টা করতে দিন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনেকবারই শুনেছি যে পশ্চিমারা চায় ইউক্রেনে সর্বশেষ মানুষটি জীবিত থাকা পর্যন্ত লড়াই চলুক। এটি ইউক্রেনীয় জনগণের জন্য কষ্টের বিষয়। তবে দেখে মনে হচ্ছে সবকিছু সে পথেই এগোচ্ছে।’

রাশিয়ার অভিযোগ, পশ্চিমা বিশ্ব নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রাশিয়ার অর্থনীতিকে দুর্বল করার মধ্য দিয়ে মস্কোর বিরুদ্ধে ছায়া যুদ্ধ চালাচ্ছে। ইউক্রেনে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সরবরাহ জোরদার করেছে পশ্চিমা বিশ্ব।

পুতিন বলেন, ‘সবার অবশ্যই জানা উচিত, আমরা এখন পর্যন্ত বড় আকারে কোনোকিছু শুরু করিনি। একই সময়ে আমরা শান্তি আলোচনা প্রত্যাখ্যান করিনি। তবে যারা আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে, তাদের জানা উচিত যে যত সময় গড়াবে আমাদের সঙ্গে আলোচনার পথ তত কঠিন হয়ে উঠবে।’

ইউক্রেনের প্রধান আলোচক মিখাইলো পোদোলিয়াক চলতি সপ্তাহে এক টুইটার পোস্টে বলেন, এ সপ্তাহে মস্কোর সঙ্গে আলোচনা শুরুর জন্য তাদের কিছু শর্ত রয়েছে। সেগুলো হলো ‘অস্ত্রবিরতি, জেড প্রতীকযুক্ত সেনা প্রত্যাহার, অপহৃত নাগরিকদের ফিরিয়ে দেওয়া, যুদ্ধাপরাধীদের বহিষ্কার, ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া এবং ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের অধিকারের স্বীকৃতি।’

২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ অভিযান শুরুর পর রুশ বাহিনী বেশ কিছু এলাকার দখল নিয়েছে। গত রোববার লুহানস্ক অঞ্চলেরও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে দেশটি।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন