ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার জেরে মস্কোর ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ ও মিত্রদেশগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় রাশিয়ার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা দিতে গত বুধবার ইইউর দেশগুলোর প্রতি প্রস্তাব দেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ফর ডার লিয়েন। প্রস্তাবে রাশিয়ার তেল, ব্যাংক, সম্প্রচারমাধ্যম ও ইউক্রেন যুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ৫৮ জনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়।

নিষেধাজ্ঞার ওই প্রস্তাব অনুযায়ী, রাশিয়ার তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রধানের ভাষ্যমতে, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেলের আমদানি বন্ধ করা হবে। আর ২০২২ সালের শেষ নাগাদ বন্ধ হবে পরিশোধিত তেল আমদানি।

হাঙ্গেরি সরকারের দেওয়া তথ্য বলছে, দেশটির জ্বালানি তেলের ৬৫ শতাংশই আমদানি করা হয় রাশিয়া থেকে। আর রাশিয়া থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি হয় চাহিদার ৮৫ শতাংশ। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে হাঙ্গেরির অর্থনীতির ওপর ‘পারমাণবিক বোমা’ হামলার মতো ক্ষতি হবে।

এদিকে রাশিয়ার অর্থোডক্স চার্চের প্রধান প্যাট্রিয়ার্চ কিরিলকে নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে রাখারও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভিক্টর অরবান। তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় চার্চের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের রাখা হলে তার অনুমোদন দেবেন না তাঁরা।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন