বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুর্ঘটনার সময় খনিতে ২৮৫ জন কর্মী অবস্থান করছিলেন। তাঁদের বেশির ভাগই ঘটনার পর খনি থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন। তবে অনেকে আটকে পড়েন। তাঁদের উদ্ধারে সন্ধ্যা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হন উদ্ধারকারীরা। অভিযান চালাতে গিয়ে কয়েকজন উদ্ধারকারীও আটকা পড়েন। খনিতে বিপুল পরিমাণে বিপজ্জনক মিথেন শনাক্ত হওয়ার পর অভিযান স্থগিত করা হয়।

পরবর্তীকালে তিনজন উদ্ধারকারীর লাশ পাওয়া যায় বলে সরকারি তথ্যে জানানো হয়। এ নিয়ে সরকারি হিসাব অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা ১৪।

গতকাল রাতে বিভিন্ন সূত্রকে উদ্ধৃত করে রাশিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, খনিতে আটকে থাকা ব্যক্তিদের কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। নিহতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছয়জন উদ্ধারকারীও রয়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে এ ঘটনাকে এক দশকের মধ্যে রাশিয়ার খনিতে ঘটা সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় খনি পরিচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খনিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থতার অভিযোগে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

খনি দুর্ঘটনায় এত প্রাণহানিকে ‘অত্যন্ত বিয়োগান্ত ঘটনা’ বলে বর্ণনা করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার পূর্বে কেমেরোভো অঞ্চলটি অবস্থিত। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, খনিটিতে এটিই প্রথম দুর্ঘটনা নয়। ২০০৪ সালে এ খনিতে মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত হন। শুধু এ খনিই নয়, রাশিয়ার অন্য কয়লাখনিগুলোতেও দুর্ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে।

২০১৬ সালে রাশিয়ার ৫৮টি কয়লাখনির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে পর্যালোচনা করেছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ৩৪ শতাংশকে সম্ভাব্য ঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়েছিল। তবে সেই তালিকায় লিস্টভিয়াঝনিয়া খনির নাম ছিল না।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন