এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে ইউরোপের ২০টি কোম্পানি গাজপ্রমে হিসাব খুলেছে। হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র গোছানোর কাজ করছে আরও ১৪টি কোম্পানি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি এসব তথ্য দিয়েছেন। তবে কোম্পানিগুলোর নাম প্রকাশ করতে পারবেন না বলেও জানান তিনি।

রুবলে মূল্য পরিশোধের জন্য গত ১ এপ্রিল পর্যন্ত পুতিন সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পর কীভাবে রাশিয়ার গ্যাসের মূল্য পরিশোধ করবে, তা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল ইউরোপের কোম্পানিগুলো। এদিকে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এতে এসব কোম্পানি পড়েছিল উভয়সংকটে।

রাশিয়ার গ্যাস আমদানি করতে পুতিনের দেওয়া সেই নির্দেশের কারণে ক্রেতা কোম্পানিগুলোকে দুটি হিসাব খুলতে হচ্ছে। একটি বিদেশি মুদ্রায় ও অপর হিসাব রুবলে। পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়া মস্কোর এ শর্ত মানতে অস্বীকৃতি জানায়। এ জন্য এপ্রিলের শেষদিকে দেশ দুটিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয় রাশিয়া।

এপ্রিলে রাশিয়া থেকে ইউরোপের কোম্পানিগুলো যে গ্যাস আমদানি করেছে, চলতি মাসের শেষ দিকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে তাদের। এদিকে ইইউ উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, রাশিয়ার দেওয়া শর্ত মেনে নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে গ্যাসের মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে মস্কোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার লঙ্ঘন হতে পারে।

গাজপ্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওই ব্যক্তি অবশ্য বলেন, এই পদ্ধতির মাধ্যমে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ইইউয়ের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার লঙ্ঘন হবে না। কারণ, শর্ত অনুযায়ী ক্রেতা কোম্পানিগুলো গাজপ্রম ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রা দিলেই লেনদেন কার্যকরভাবে সম্পন্ন হবে। পরবর্তী ধাপে রুবলে রূপান্তর প্রক্রিয়াটি হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন