বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, আঞ্চলিক সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, টানা কয়েক দিন অনুপস্থিত থাকায় শিশু দুটির স্কুল থেকে পুলিশকে তাদের বিষয়ে জানানো হয়। খবর পেয়ে গত বুধবার যখন পুলিশ লো মানস শহরের ওই ফ্ল্যাটে যায়, তখনো দুই বোন ভেবে বসেছিল যে তাদের মা ঘুমাচ্ছেন। তাই পুলিশ কর্মকর্তাদের দেখার পরই দুই বোন বলে ওঠে, ‘শান্ত থাকুন, মা ঘুমাচ্ছে।’

এরপর পুলিশ সদস্যরা ভেতরে ঢুকে তাদের মায়ের মরদেহ উদ্ধার করেন। ওই নারীর জন্ম ১৯৯০ সালে আইভরি কোস্টে। মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তে জানা গেছে, স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে তাঁর। মায়ের মরদেহ উদ্ধারের পর মেয়ে দুটিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে নেওয়া হয় শিশু লালন কেন্দ্রে। মানসিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে তাদের ‘কাউন্সেলিং’ সেবা দেওয়া হচ্ছে।

আঞ্চলিক সরকারি কৌঁসুলি ডেলফিনে ডেওয়াইলি এএফপিকে বলেন, ‘অপরাধমূলক কিছু থেকে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা মনে করছি না। আমরা আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করব। তারপর ছোট ওই দুই শিশুর কাছ থেকে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে জবানবন্দি নেব।’

শিশু দুটি কত দিন তাদের মৃত মায়ের পাশে কাটিয়ে দিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন