বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার বিচারক লারিসা আলউইন শেলের বিরুদ্ধে এমন আইনগত বাধ্যবাধ্যকতা আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানটি আদালতের এ নির্দেশের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে। তারপরও আদালতের এমন অবস্থান জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে এ খাতের প্রতিষ্ঠানের ওপর নানামুখী চাপ বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।

চলতি বছরের শুরুতে শেল কর্তৃপক্ষ কার্বন নিঃসরণ কমাতে প্রতিষ্ঠানটির কৌশলগত পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। এর আওতায় ২০২৩ সালের মধ্যে নিঃসরণ ২০১৬ সালের তুলনায় ৬ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যের কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০৩০ সালের মধ্যে তা ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে শেলের। পরে ২০৩৫ ও ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের হার ২০১৬ সালের তুলনায় যথাক্রমে ৪৫ শতাংশ ও শতভাগ কমিয়ে আনার লক্ষ্যের কথা জানিয়েছে নেদারল্যান্ডসের এ জ্বালানি প্রতিষ্ঠান।
তবে বিচারক লারিসা আলউইন শেলের এ পরিকল্পনাকে ‘বাস্তব নয়’ ও ‘শর্তযুক্ত’ বলে সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, জলবায়ু পরিবর্তন রোধে শেলের এমন প্রতিশ্রুতি পর্যাপ্ত নয়।

নেদারল্যান্ডসের ১৭ হাজারের বেশি নাগরিকের পক্ষে শেলের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের এপ্রিলে আদালতে অভিযোগ এনেছিল গ্রিনপিসসহ সাতটি পরিবেশবাদী সংগঠন। তাদের অভিযোগ, জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মধ্য দিয়ে জ্বালানি প্রতিষ্ঠানটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন