গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্যমতে, ডেনমার্কের বালুর প্রাসাদটির উচ্চতা ২১ দশমিক ১৬ মিটার (৬৯ দশমিক ৪ ফুট)। এর আগে সবচেয়ে উঁচু বালুর প্রাসাদটি ছিল জার্মানিতে। ২০১৯ সালে নির্মিত ওই প্রাসাদের উচ্চতা ছিল ১৭ দশমিক ৬৬ মিটার।

ডেনমার্কের প্রাসাদটির কারিগর ডাচ নাগরিক উলফ্রেড স্টিগার। প্রাসাদটি বানাতে তাঁকে সহযোগিতা করেছেন বিশ্বের ৩০ জন নামকরা বালু ভাস্কর। পিরামিডের আকৃতিতে তৈরিতে এই বালু প্রাসাদের নকশায় করোনাভাইরাসের শক্তিমত্তাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। প্রাসাদের শীর্ষে প্রতীকী অর্থে মুকুট পরা একটি ভাইরাসের প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন এলাকায় নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনেক দেশে সংক্রমণ এখনো ঊর্ধ্বমুখী। টিকা এলেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো যাচ্ছে না। জনজীবনে করোনার প্রভাবের বিষয়টিই বালুর প্রাসাদে তুলে ধরা হয়েছে জানিয়ে কারিগর স্টিগার বলেছেন, ‘করোনা আমাদের সবকিছুতেই প্রভাব বিস্তার করেছে। এখানে (বালুর প্রাসাদ) সেটাই তুলে ধরা হয়েছে। এটার মাধ্যমে বলার চেষ্টা করা হয়েছে, চমৎকার জায়গায় যাওয়া থেকে দূরে থাকুন, জনসমাগম এড়িয়ে চলুন। বাড়িতেই থাকুন।’

বালুর প্রাসাদটিতে ১০ শতাংশ কাদা ব্যবহার করা হয়েছে। শরৎ ও শীতে ঠান্ডা বা তীব্র বাতাসেও প্রাসাদটি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য এটি নির্মাণ শেষে এর গায়ে আঠার প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। তীব্র তুষারপাত শুরু না হওয়া পর্যন্ত আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি বা মার্চেও এটি টিকে থাকবে বলে আশা স্টিগারের। বালুর প্রাসাদ দেখে ব্লোকাসের বাসিন্দারাও বেশ উচ্ছ্বসিত।