বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাতিসংঘসহ বিশ্বনেতাদের উদ্বেগ, তৎপরতার মুখে এ হামলা শুরু হলো। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ হামলার ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে বড় ধরনের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ শুরু হতে পারে।

হামলার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটির মিত্ররা এর নিন্দা জানিয়েছে। রাশিয়ার ওপর সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞার হুমকিও এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কিয়েভে সাইরেন বাজানোর শব্দ শোনা গেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশটিতে সামরিক শাসন জারি করেছেন।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা তাঁর দাপ্তরিক পেজে টুইট করেছেন, ‘ইউক্রেনের শান্তিপ্রিয় শহরগুলোয় হামলা হয়েছে। শুরু হয়েছে আগ্রাসনের জন্য যুদ্ধ।’

এর কয়েক ঘণ্টা আগে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস এলাকায় সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন। রাশিয়ার জাতীয় টেলিভিশনে তাঁর ভাষণ সম্প্রচার করা হয়। পুতিন ভাষণে ইউক্রেনের সেনাদের অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সম্ভাব্য রক্তপাতের সব দায় বর্তাবে ইউক্রেন সরকারের ওপর।

পুতিন বলেন, ‘ইউক্রেন দখলের কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই। কারও ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই।’

রাশিয়ার এই সামরিক অভিযানের আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি শান্তির আহ্বান জানান। তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবানও ছিল তাঁর ভাষণে। জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের আরেকটি স্নায়ুযুদ্ধের প্রয়োজন নেই। দরকার নেই কোনো রক্তাক্ত যুদ্ধের। কিন্তু আমাদের ওপর যদি সামরিক অভিযান চলে, আমাদের স্বাধীনতা হরণের চেষ্টা করা হয়, আমাদের জীবন, আমাদের শিশুদের জীবন ধ্বংসের চেষ্ো হয়, তাহলে আমরা প্রতিরোধ করবই।’

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন