বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে বাকিংহাম প্যালেসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রানির অনুমোদন সাপেক্ষে ডিউক অব ইয়র্কের সামরিক ও রাজকীয় মর্যাদা ফেরত নেওয়া হয়েছে। তিনি আর কোনো দায়িত্বে থাকবেন না। একজন বেসামরিক নাগরিক হিসেবে তিনি মামলা লড়বেন।

সূত্র বলেছে, এসব সিদ্ধান্ত শিগগিরই কার্যকর হবে। তিনি যেসব দায়িত্বে ছিলেন, তা রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। বিষয়টি নিয়ে রাজপরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

হ্যারি ও মেগানের মতো প্রিন্স অ্যান্ড্রুও ‘হিজ রয়্যাল হাইনেস’ ধরে রাখতে পারবেন। তবে কোনো সরকারি কাজে তিনি এটা ব্যবহার করতে পারবেন না।

বাকিংহাম প্যালেসের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা এলেও যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। তিনি সামরিক মর্যাদা হারিয়েছেন, তা–ও নিশ্চিত করেনি মন্ত্রণালয়।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ভার্জিনিয়া জিউফ্রে নামের এক নারী যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে অভিযোগ করেছিলেন, ২০০১ সালে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তিনি। সে সময় এই নারীর বয়স ছিল মাত্র ১৭। মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইন তাঁকে অ্যান্ড্রুর হাতে তুলে দিয়েছিলেন। প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বন্ধু এপস্টেইন। শিশু-কিশোরীদের পাচার ও জোর করে যৌনদাসীর কাজ করানোর মতো গুরুতর অভিযোগে কারাবাসে থাকা অবস্থায় আত্মহত্যা করেন জেফরি এপস্টেইন।

ব্রিটিশ রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকারীদের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। তিনি রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের দ্বিতীয় ছেলে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন