বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এসব বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের ফলে প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে আসতে শুরু করেছে স্কটল্যান্ডবাসীরা। কারণ, অধিকাংশ স্থানে আর সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বিধান থাকছে না। এ ছাড়া মহামারি শুরুর পর নাইট ক্লাব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর আগে বিধিনিষেধ উঠলেও নাইট ক্লাব বন্ধ ছিল। বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের ফলে এই প্রথম সেখানকার নাইট ক্লাবগুলো খুলে যাচ্ছে। এ ছাড়া রেস্তোরাঁসহ অতিথি আপ্যায়নের বিভিন্ন ভেন্যু এখন পূর্ণাঙ্গভাবে চালু থাকবে। উন্মুক্ত স্থানে জনসাধারণ জড়ো হতে পারবেন। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব বিষয়ে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ভাইরাস এখনো আমাদের সঙ্গে রয়েছে।’

নতুন এই বিধি অনুসারে উন্মুক্ত জনসমাগমস্থলে পাঁচ হাজার মানুষ এবং বদ্ধ জনসমাগমস্থলে দুই হাজার মানুষ জড়ো হতে পারবে। তবে এ জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। এ বিষয়ে স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজিয়ন বলেন, গরমে যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল, তার চেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল স্কটল্যান্ড। তবে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

স্কটল্যান্ডে এক সপ্তাহ ধরে করোনার সংক্রমণ গড়ে দৈনিক এক হাজারের আশপাশে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এরপর গত শুক্রবার ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের মাস্ক পরার ব্যাপারে শিথিলতা আনা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই শিশুদের মাস্ক ব্যবহার না করলেও চলবে।

তবে সতর্কতাস্বরূপ কিছু বিধিনিষেধ এখনো বহাল রাখা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, জনসমাগমস্থল এবং গণপরিবহনে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্কুল খোলার ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত ছোট্ট শিশু ও শিক্ষকদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। তবে শুধু কক্ষের ভেতরে এই নিষেধ মানতে হবে। এ ছাড়া স্কুলের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক ও শিশু শিক্ষার্থীদের এক মিটার সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। যাঁরা স্বাস্থ্যসেবা নিতে যাবেন, তাঁদের দুই মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। স্কটল্যান্ডে যেসব অফিসের কাজ বাসায় থেকে করা সম্ভব, তাদের বাসায় থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে।

যাঁরা টিকার দুই ডোজই নিয়েছেন, তাঁদের কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, করোনায় সংক্রমিত কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে দুই ডোজ নেওয়া কোনো ব্যক্তিকে বা কোনো শিশুকে আইসোলেশনে থাকতে হবে না। উপসর্গ না থাকলে এবং পিসিআর পরীক্ষায় নেগেটিভ হলে আইসোলেশনে থাকার প্রয়োজন নেই।

এদিকে কোনো শ্রেণিকক্ষের কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে সবাইকে বাসায় থেকে আর ক্লাস করতে হবে না। তবে যারা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকবে, তাদের আইসোলেশনে থাকতে হবে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন