বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সূত্র জানিয়েছে, টুইটারে বুল্লিবাই নামের একটি অ্যাকাউন্টের ওপর নজরদারি করা হচ্ছিল। ওই অ্যাকাউন্টটি চালাতেন নিরাজ। নজরদারির একপর্যায়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অ্যাপটি এখন বন্ধ আছে। গতকালই তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত নিরাজকে সাত দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেন।

‘বুল্লিবাই’ অ্যাপটি মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার শেয়ার করার প্ল্যাটফর্ম গিটহাবে অ্যাপটি রাখা ছিল। অভিযোগ ওঠার পর অ্যাপটি গিটহাব প্রাথমিক পর্যায়ে বন্ধ করে দেয়। এরপর এটি মুছে ফেলা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে জড়িত সূত্র জানায়, অ্যাপটি নভেম্বরে তৈরি করা হয়। ৩১ ডিসেম্বর এটি ব্যবহারের জন্য প্রকাশ করা হয়। আর আরেকটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে এই অ্যাপের বিষয়টি ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

default-image

নিরাজ এই অ্যাপের ঘটনায় আগে যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়, তাঁদের প্রসঙ্গটি টেনে আরেকটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে মুম্বাই পুলিশকে বিদ্রূপ করে টুইট করে। সেখানে তিনি লিখেন স্লামবাই পুলিশ। তিনি লিখেন, ‘স্লামবাই পুলিশ আপনার ভুল মানুষকে গ্রেপ্তার করেছেন। আমি#বুলিবাইঅ্যাপের নির্মাতা। তাদের কাছ থেকে কিছুই পাবেন না। তারা নির্দোষ।’ বুধবার সকাল ১০টা ৪২ মিনিটের এই পোস্ট দেওয়া হয়। এর পরের দিন ১৯ বছর বয়সী শ্বেতা সিং গ্রেপ্তার হন।

নিরাজকে নিয়ে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর আগে মায়াঙ্ক রাওয়াল, শ্বেতা সিং ও বিশাল কুমার ঝা নামের আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গত বছরের জুলাইয়ে ভারতে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় যে অ্যাপের মাধ্যমে এই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল, তার নাম ‘সুল্লি ডিলস’। ওই অ্যাপের মাধ্যমে নিলামে বিক্রির জন্য নাম উঠেছিল প্রায় ৮০ মুসলিম নারীর। এই ‘বুল্লি’ কিংবা ‘সুল্লি’—দুটি শব্দই ব্যবহার করা হয় নারীদের অপমান করার জন্য।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন