বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যখন জীবন বাজি রেখে বিএসএফ দেশবাসীকে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর সুযোগ করে দেয়, তখন রাজ্যের শাসক দল তাদের অপমান করছে। বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল যে শব্দ প্রয়োগ করেছে, তা কোনো দেশপ্রেমিক করতে পারেন না।
এর পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় বলেছেন, বিজেপির এ উদ্যোগের পেছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। আর সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, রাজ্য পুলিশ তৃণমূল নেতাদের পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে আর এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী (বিএসএফ) বিজেপি নেতাদের পাহারা দেবে।

এদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব ও আসামের সীমান্ত এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) নজরদারি এলাকা ১৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার করার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন পাঞ্জাব ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যথাক্রমে চরণজিৎ সিং চন্নী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এই দুই রাজ্যের বিধানসভায় প্রস্তাব আনা হয়েছে। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর প্রস্তাব ইতিমধ্যে খারিজ হয়ে গেছে এই দুই বিধানসভায়। এ ছাড়া সীমানা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করার দাবি করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও চরণজিৎ।

কলকাতার বুদ্ধিজীবীরাও মেনে নিতে পারেনি বিএসএফের নজরদারি বাড়ানোর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে। গত সোমবার মাসুম কলকাতা প্রেসক্লাবে বিএসএফের এই নজরদারি এলাকা বাড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সেই সম্মেলনে যোগ দেন কলকাতার অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক অপর্ণা সেন। এ সময় বিএসএফের এখতিয়ার বৃদ্ধি ও তাদের কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন