বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে ফ্রান্সই ‘ইউক্রেনে বেআইনি ও অন্যায্য আগ্রাসনের’ জন্য রুশ সেনাদের নিন্দা জানিয়েছেন। তবে দুই দেশই বলেছে, যুদ্ধ বৈশ্বিক খাদ্য–সংকটকে আরও তীব্র করতে পারে। ইউক্রেন পৃথিবীর অন্যতম গম উৎপাদনকারী দেশ।
মোদির সঙ্গে এই সংলাপকে সামনে রেখে মাখোঁর অফিস থেকে বলা হয়, মোদির সঙ্গে আলোচনায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এশিয়ার বাইরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যুদ্ধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে গুরুত্ব দেবেন।
ফ্রান্স রাশিয়ান অস্ত্র ও জ্বালানির বাইরে ভারতকে ‘বৈচিত্র্য’ দিয়ে সাহায্য করতে চায় বলেও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের অফিস থেকে বিবৃতিতে বলা হয়।

‘আস্থার সম্পর্ক’
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের বাসভবন সূত্র জানায়, মাখোঁর সঙ্গে মোদির গভীর উষ্ণ সম্পর্ক। ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনবার ফ্রান্স সফর করেছেন মোদি। মাখোঁ ভারতে গেছেন ২০১৮ সালে।

default-image

এই সংলাপের আগে ফ্রান্সের পক্ষ থেকে দুই দেশের সম্পর্ককে ‘আস্থা’র বলে উল্লেখ করা হয়। পরে দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতেও বলা হয়, দুই দেশই কৌশলগত ফ্রাঙ্কো-ইন্ডিয়ান সম্পর্ক বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে আগ্রহী।

ভারত ফ্রান্সের কাছ থেকে বেশ কিছুসংখ্যক রাফাল যুদ্ধবিমান ও ছয়টি সাবমেরিন কিনেছে। এ ছাড়া অসামরিক পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে প্যারিসের সঙ্গে সহযোগিতা করছে। অন্যদিকে ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি এডিএফ ভারতের পশ্চিম উপকূলে ছয়টি নেক্সট জেনারেশন ইপিআর রিঅ্যাক্টর তৈরি করতে চায়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন