বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে বিজেপিও চুপ করে বসে নেই। তারা প্রত্যাঘাত শুরু করেছে দুভাবে। বুধবার তারা দলে টেনেছে অখিলেশ যাদবের দল এসপির বিধায়ক হরিওম যাদব, এসপির সাবেক বিধায়ক ধর্মপাল সিং ও সাহারানপুর জেলার বেহাট কেন্দ্রের কংগ্রেস বিধায়ক নরেশ সাইনিকে। হরিওমকে দলবিরোধী কাজের জন্য গত বছর বরখাস্ত করা হয়েছিল।

দল ভাঙানো ছাড়া বিজেপি অন্যভাবেও সক্রিয়। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে বিরামহীনভাবে বিরোধীদের ‘হেনস্তা’র অভিযোগ অনবরত শোনা যাচ্ছে। সেই ঢংয়ে মন্ত্রিত্ব ও বিজেপি ত্যাগের পরদিনই স্বামীপ্রসাদ মৌর্যের বিরুদ্ধে গতকাল এক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে এক অনুষ্ঠানে ‘ঘৃণা ভাষণ’-এর অভিযোগ আনা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের সুলতানপুর জেলা আদালতের জারি করা ওই পরোয়ানায় গতকালই তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি যাননি। এখন তাঁকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

অভিযোগ, ২০১৪ সালে স্বামীপ্রসাদ মৌর্য এক অনুষ্ঠানে কয়েকজন হিন্দু দেবদেবীর নাম উল্লেখ করে বলেছিলেন, বিয়ের সময় এঁদের পূজা করা উচিত নয়। দলিত ও অনগ্রসরদের দাসত্বের জন্য এটা উচ্চবর্ণ হিন্দু শাসনব্যবস্থার চক্রান্ত। দুই বছর পরেই মৌর্যর বিজেপিতে যোগদান এবং পরবর্তী সময়ে মন্ত্রিত্বলাভ। এত দিন ধরে ঘৃণা ভাষণের অভিযোগে তাঁকে আদালতের মুখোমুখি হতে হয়নি।

বিজেপিশাসিত রাজ্য উত্তরাখন্ডের হরিদ্বারে আয়োজিত ‘ধর্ম সংসদ’ থেকে মুসলমানদের গণহত্যার ডাক দেওয়ার বিরুদ্ধেও বিজেপির কোনো নেতাকে সরব হতে দেখা যায়নি। কিন্তু বিজেপি ছাড়ার পরদিনই স্বামীপ্রসাদ মৌর্যর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলো। স্বামীপ্রসাদ মৌর্য জানিয়েছেন, অনুগামীদের সঙ্গে আলোচনার পর আগামীকাল শুক্রবার তিনি পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ ঠিক করবেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন