বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সফরের শেষ দিনে গতকাল সংবাদ সম্মেলন করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র, দুই নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার ও অনুপ চন্দ্র পান্ডে জানান, রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আগামী ৫ জানুয়ারি প্রকাশ করা হবে। তাঁরা বলেন, বিজেপি, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস, বহুজন সমাজ পার্টি, রাষ্ট্রীয় লোকদলসহ সবাই নির্দিষ্ট সময়ে ভোট করানোর পক্ষে মত দিয়েছে। সাবধানতামূলক ব্যবস্থা অনুযায়ী রাজ্যে ১১ হাজার অতিরিক্ত বুথ গড়া হবে। ভোটদানের সময়ও বাড়ানো হবে এক ঘণ্টা। তা ছাড়া ৮০ বছরের বেশি বয়সী ভোটাররা বাড়িতে বসে ভোট দিতে পারবেন। এর ফলে ভোটের দিন বুথে বুথে হুড়োহুড়ি লাগবে না। সামাজিক দূরত্বও মানা যাবে।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন, উত্তর প্রদেশের ৫০ শতাংশ জনতাই দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন। রাজ্যে অমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র চারজন। কমিশন তবু সব ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করবে। ভোটকর্মী হিসেবে তাঁদেরই নিযুক্ত করা হবে, যাঁরা টিকা নিয়েছেন। তিনি বলেন, উত্তর প্রদেশের ভোটের হার ক্রমশ কমছে। সেটা চিন্তার। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটের হার ছিল ৬১ শতাংশ। ২০১৯ সালে লোকসভায় তা কমে হয় ৫৯ শতাংশ।

উত্তর প্রদেশসহ পাঁচ রাজ্যের ভোটের দিনক্ষণ এখনো ঘোষিত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী প্রতি সপ্তাহে নিয়ম করে রাজ্য সফরে যাচ্ছেন। বিভিন্ন প্রকল্পের হয় শিলান্যাস করছেন নতুবা উদ্বোধন করছেন। প্রচার শুরু করে দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব ও কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও। সব জনসভাতেই ভিড় উপচে পড়ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা পশ্চিমবঙ্গের ভোটের সময়েও কোনো দল মানেনি, এখনো মানছে না। তা জানা থাকা সত্ত্বেও প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রচারের কোনো নির্দেশ কমিশন দেয়নি। বড় জনসভা না করার নিদানও দেওয়া হয়নি। অথচ প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রচার চালানো হলে অর্থ, সময়সহ সব ধরনের অপচয় বন্ধ হয়। সংক্রমণের আশঙ্কাও কমে যায়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন