বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুটি আসনে অর্থাৎ, দিনহাটা ও সুন্দরবনের গোসবায় তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ৮০ শতাংশের ওপরে উঠেছে। দিনহাটায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার ভোটে এবং গোসবায় তাদের প্রার্থী ১ লাখ ৬১ হাজার ভোটে জিতেছেন।
এককথায় বলতে গেলে, বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণের বিষয়টিকে ইস্যু করে যে চার উপনির্বাচনে বিজেপি লড়েছিল, তা কোথাও ছাপ ফেলতে পারেনি। শান্তিপুরে বিজেপি ২৩ শতাংশ ভোট পেলেও সেখানেও ৬০ হাজারেরও বেশি ভোটে হেরেছে। উত্তর চব্বিশ পরগনার খড়দহে ব্যবধান প্রায় এক লাখের কাছাকাছি। এই বিরাট জয়ের কারণে মঙ্গলবার বিকেলের দিকে বিজেপিকে ব্যঙ্গ করে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের কালীপূজার ‘শব্দহীন শুভেচ্ছা’ জানিয়েছেন।

তবে আসাম রাজ্যে যেখানে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানে তারা খুবই ভালো ফল করেছে। পাঁচটির মধ্যে তিনটি আসন, ভবানীপুর, মারিয়ানি ও থওরায় তারা বেশ ব্যবধানে জিতেছে। দুটি আসনে জিতেছে তাদের জোটসঙ্গী ইউনাইটেড পিপলস পার্টি লিবারেল। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস, মুসলিমপ্রধান দল অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এআইইউডিএফ) ও বোরো পিপলস ফ্রন্ট জোট বেঁধেছিল এবং পাঁচটির মধ্যে চারটিতে জিতেছিল।

এবার তারা জোট না করে সব কটিতেই হেরেছে। ফলে ভবিষ্যতে কংগ্রেসকে ভাবতে হবে, তারা অন্য দলের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচনে লড়বে না এককভাবে লড়বে।

তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে কংগ্রেস ও বিজেপির শরিক দলকে বাদ দিয়ে শুধু দুই প্রধান দলের যদি মূল্যায়ন করা হয়, তাহলে দেখা যাবে যে ৩০টি বিধানসভা আসনে আজ উপনির্বাচন হলো তার মধ্যে ৮টিতে সরাসরি জিতেছে কংগ্রেস, ৭টিতে বিজেপি। বাকিগুলোতে কোনো স্বাধীন দল বা দুই প্রধান দলের শরিকেরা।

হরিয়ানা রাজ্যটি বিজেপির শাসনে থাকলেও সেখানে বিজেপিবিরোধী দল ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোক দল জিতেছে। দলের নেতা অভয় চাউথালা একে কৃষক সংগ্রামের জয় বলে চিহ্নিত করেছেন। হিমাচল প্রদেশ রাজ্যে তিনটি আসনের তিনটিতেই জিতেছে কংগ্রেস।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন