default-image

দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে আন্না হাজারের সঙ্গে যেখানে তিনি অনশন করেছিলেন, সেই রামলীলা ময়দানেই আজ শনিবার দুপুর ১২টায় দ্বিতীয়বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সেই সঙ্গে শপথ নেবেন আরও ছয়জন মন্ত্রী। শপথ গ্রহণ করাবেন দিল্লির উপরাজ্যপাল নাজিব জং।
আগেরবার ৪৯ দিনের সংক্ষিপ্ত শাসনে কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভায় কেউ উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না। এবার সেই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে সাবেক সাংবাদিক মনীশ সিসোদিয়াকে। আগেরবার যাঁরা মন্ত্রী হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্য থেকে মনীশ ছাড়া এবারও মন্ত্রী হচ্ছেন সত্যেন্দ্র জৈন। বাকি চারজন সবাই নতুন। এবারই প্রথম তাঁরা বিধায়ক হয়েছেন। গোপাল রাই, জিতেন্দ্র টোমার, সন্দীপ কুমার ও আসিম আহমেদ খান। যাঁরা বাদ পড়লেন, তাঁদের একজন বিতর্কিত। সোমনাথ ভারতী। আগের মন্ত্রিসভায় তিনি আইনমন্ত্রী ছিলেন এবং রাজধানীর এক মহল্লায় আফ্রিকার নাগরিকদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের এক ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। তাঁর নামে মামলা চলছে বলে এবার জিতলেও কেজরিওয়াল তাঁকে মন্ত্রী করছেন না। আর বাদ পড়েছেন কনিষ্ঠতম মন্ত্রী রাখী বিড়লা, ভালো কাজ করতে পারেননি বলে। সৌরভ ভরদ্বাজ, যিনি এবার রাষ্ট্রপতি-তনয়া শর্মিষ্ঠাকে হারালেন, আগেরবার মন্ত্রী থাকলেও এবার তাঁকে করা হচ্ছে না।
এএপি সরকারের আজকের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় নগর উন্নয়নমন্ত্রী ভেঙ্কাইয়া নাইডুকে আমন্ত্রণ জানালেও তাঁরা কেউই ‘অন্য কাজ থাকায়’ হাজির থাকছেন না। প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতেই থাকছেন না। যাচ্ছেন মহারাষ্ট্রের বারামতিতে। সেখানে এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ারের সঙ্গে এক মঞ্চ থেকে তাঁরা কৃষক সমাবেশে ভাষণ দেবেন। কংগ্রেসের অজয় মাকেন ও বিজেপির কিরণ বেদীকেও কেজরিওয়াল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করেছেন। তবে তাঁরাও সম্ভবত আসবেন না। আসছেন না আন্না হাজারেও। তবে সাধারণ মানুষ যাতে আসেন, সে জন্য কেজরিওয়াল সব এফএম রেডিও মারফত দিল্লিবাসীর প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন