বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তৃণমূল কংগ্রেস তাদের তারকা প্রচারকের যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তার শুরুতেই রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। এ ছাড়া অন্তত আটজন অভিনেতা-অভিনেত্রী ও চিত্রপরিচালককে দিয়ে প্রচার চালাবে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ও অভিনেতা দেব এবং সোহম প্রচারে যাবেন।

৩০ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের চার আসন ছাড়া আসামের পাঁচ বিধানসভা আসনেও উপনির্বাচন হবে। এ ছাড়া পূর্ব ভারতের মেঘালয়ের তিন এবং মিজোরাম ও নাগাল্যান্ডে একটি করে আসনে উপনির্বাচন হবে ওই দিন। ১৪ রাজ্যের মোট ৩০টি বিধানসভা আসনে ওই দিন ভোট গ্রহণ হবে। তিনটি লোকসভা আসনের উপনির্বাচনও হবে একই দিন।

আসামে দ্বিতীয়বারের জন্য বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর বড় ধরনের সংঘাতের ঘটনা ঘটছে। নির্বাচন চলার সময় থেকে এ পর্যন্ত এসব ঘটনায় লাগাতার উসকে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তের বিরুদ্ধে। গত এপ্রিলে আসামে বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন নির্বাচন কমিশন একপর্যায়ে বিশ্বশর্মার প্রচারে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছিল। সেই হিমন্তকেই এখন পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে আনছে বিজেপি।

এর কারণ ব্যাখ্যা করে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এক নেতা বললেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বর্তমান সভাপতি সুকান্ত মজুমদার আসামের মুখ্যমন্ত্রীর নীতির সমর্থক। হিমন্ত খোলাখুলিই গত নির্বাচনে বলেছিলেন, তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোট চান না। ওই নেতা বললেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের বিজেপিতে একটা বিভ্রান্তি আছে। এখানে বিজেপি মুসলমানের ভোট চায়, নাকি সেই ভোট ছাড়াই নির্বাচনে লড়বে, এ বিষয় নিয়ে। সেই বিভ্রান্তি কেটে যাচ্ছে। এখানেও আসামের মতোই আগামী দিনে কড়া লাইনই নেওয়া হবে।’

আসামে সম্প্রতি বেআইনি উচ্ছেদ করতে গিয়ে বাঙালি মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর পুলিশ গুলি করেছে, অনেকে হতাহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তির বুকের ওপর পুলিশের সঙ্গে যাওয়া এক আলোকচিত্রী লাফাচ্ছে, এমন এক ভিডিও চিত্র সামাজিক মাধ্যমে বের হওয়ার পর নিন্দার ঝড় ওঠে। কিন্তু ওই ঘটনার নিন্দা আসামের মুখ্যমন্ত্রী করেননি। বরং তিনি পুলিশকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। যদিও আসামের হাইকোর্ট এই ঘটনার নিন্দা করেছেন।

তবে হিমন্তকে আনলেও ‘হেভিওয়েট’ কোনো বিজেপি নেতা পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচনের প্রচারে আসছেন না। কোচবিহার জেলার দিনহাটা, নদীয়ার শান্তিপুর, উত্তর চব্বিশ পরগনার খড়দহ ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার গোসাবায় উপনির্বাচন হবে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন