বিজ্ঞাপন

জলোচ্ছ্বাসে পূর্ব মেদিনীপুরের মন্দারমণি, তাজপুর, শংকরপুর এলাকার বহু হোটেলে পানি উঠেছে। এসব এলাকার সড়ক চেনার উপায় নেই। এসব এলাকায় সমুদ্রতীরের বহু দোকানপাট ভেসে গেছে, ভেঙে গেছে গাছপালা। ছিঁড়ে গেছে বিদ্যুতের তার। একই চিত্র দেখা গেছে পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায়ও। এ ছাড়া রাজ্যের রায়দিঘি, বকখালী, সন্দেশখালী, হলদিয়া, হিঙ্গলগঞ্জ, ধামাখালী, পার্থ প্রতিমা, কাকদ্বীপ, নামখানা, সাগর, ফ্রেজারগঞ্জ, গঙ্গা সাগর, গোসাবা ও মৌসুনী দ্বীপেও আঘাত হেনেছে জলোচ্ছ্বাস।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এ জলোচ্ছ্বাসে পূর্ব মেদিনীপুরের ৫১টি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৫টি স্থানের বাঁধ ভেঙে গেছে। এসব বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে পড়েছে গ্রামে। প্লাবিত হয়েছে বহু গ্রাম। তিনি বলেন, সতর্কতা হিসেবে এবার সাড়ে ১১ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় শুরুর আগেই ১০ জেলায় ১৭ কোম্পানি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য। এ ঝড়ের পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোতায়েন করা হয়েছে ২ লাখ পুলিশ সদস্য ও ৭৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবী। মোতায়েন করা হয়েছে এনডিআরএফের ৪৫টি দল। এ ছাড়া কলকাতা শহরের ঝড়ের সময় উড়াল সেতুতে উঠে কোনো গাড়ি যাতে দুর্ঘটনা কবলিত না হয়, সে জন্য আটটি বড় উড়াল সেতু বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে ঝুঁকি কমে আসায় এর কয়েকটি এরই মধ্যে খুলে দেওয়া হয়েছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন