বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি রাজ্যের উপকূলীয় এলাকা বালাসোর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার।

ধারণা করা হচ্ছে, ইয়াস পরবর্তী ছয় ঘণ্টায় আরও দুর্বল হবে। এটা বর্তমান ঝাড়খন্ডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, আজ বিকেলের দিকে ইয়াস ওডিশার ময়ূরভঞ্জ জেলায় আঘাত হানতে পারে। এই জেলায় আঘাত হানার সময় বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার।

এদিকে ঝাড়খন্ডে এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আশঙ্কা থাকায় সেখানে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া এর উপকূলবর্তী এলাকাগুলো থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া কার্যক্রম শুরু করেছে প্রশাসন।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গে উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে কমপক্ষে দুজন মারা গেছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভবন ধসে একজন মারা গেছেন। আরেকজন সমুদ্রে নিখোঁজ হয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন দুজন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন