default-image

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রে এখন করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সেই মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাইয়ের হাসপাতালগুলোতে করোনাপ্রতিরোধী টিকার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে অনেকগুলো হাসপাতাল আপাতত টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে প্রায় প্রতিদিনই করোনার সংক্রমণে রেকর্ড ভাঙছে। ১৩০ কোটি জনগোষ্ঠীর এ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ লাখ ৩২ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

চলচ্চিত্রজগতের জন্য বিখ্যাত মুম্বাই নগরীর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৭১টি বেসরকারি হাসপাতালে মধ্যে ২৫টিতেই টিকার সরবরাহ না থাকায় টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা যাচ্ছে না।

সরকারি টিকাদানকেন্দ্রগুলোর অবস্থাও সন্তোষজনক নয়। আজ শুক্রবার সকালে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতালে টিকার প্রথম ডোজ নিতে আসা লোকজনকে ফেরত পাঠানো হয়। এই হাসপাতালের চিকিৎসক হেবা পাতউই এএফপিকে বলেন, সাধারণত এখানে প্রতিদিন পাঁচ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হয়। কিন্তু এখন টিকার ঘাটতি দেখা দেওয়ায় কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।

লোকমান্য তিলক মিউনিসিপ্যাল জেনারেল হাসপাতালের এক চিকিৎসক এএফপিকে বলেন, টিকা সরবরাহ শেষ হওয়ার আগে মাত্র ১৮০ জনকে টিকা দেওয়া গেছে। যদিও তখন সেখানে অনেক মানুষ টিকা নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
default-image

পুরো মুম্বাই শহরেই একই পরিস্থিতি বলে জানিয়েছেন এই শহরের টিকাদান কর্মসূচির পর্যবেক্ষক মঙ্গলা গোমারে। তিনি বলেন, দিন শেষে মুম্বাইয়ের বেশির ভাগ হাসপাতালেই টিকার মজুত শেষ হয়ে যাবে। কিছু কিছু হাসপাতাল হয়তো আর এক–দুই দিন চালাতে পারবে।

নগর কর্তৃপক্ষ টুইট করে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে ‘টিকা না পাওয়ায়’ এ ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যে গড়ে পাঁচ দিনের টিকার মজুত আছে। এরই মধ্যে কিছু কিছু অঞ্চলে টিকার সংকট দেখা দিয়েছে।

মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী গত বুধবার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, নতুন টিকার মজুত না এলে সপ্তাহ শেষে তারা আর টিকাদান কর্মসূচি চালাতে পারবে না।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন