বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফিরহাদ হাকিম ২০১১ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিধায়ক। কলকাতার মেয়র ছাড়াও তিনি রাজ্য সরকারের পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ (১৯২৪), নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (১৯৩০), ডা. বিধানচন্দ্র রায় ( ১৯৩১) ও শেরেবাংলা ফজলুল হক (১৯৩৫) কলকাতার মেয়র ছিলেন।

default-image

১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পৌর করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় পায় তৃণমূল। কলকাতা পৌরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩৪টি ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা জয়ী হন। সবশেষ ২০১৫ সালের পৌর নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ১১৪টি ওয়ার্ডে জিতেছিল।

রাজ্যটির প্রধান বিরোধী দল বিজেপির প্রার্থীরা তিনটি ওয়ার্ডে জয় পেয়েছে। এর আগের নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল সাতটি ওয়ার্ডে। এবার বাম দল ও কংগ্রেস দুটি করে ওয়ার্ডে জয় পেয়েছে। আগের নির্বাচনে বাম দল ১৫টি ওয়ার্ডে জিতেছিল। এবারের নির্বাচনের আগে বিরোধীশূন্য পৌরসভা গঠনের ঘোষণা দিয়েছিল তৃণমূল।

শপথ নিয়ে ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেবার ব্রত নিয়ে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমরা সেটা বাস্তবায়িত করব। আমাদের লক্ষ্য হবে কলকাতাকে একটি আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলা। কলকাতাবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করা। আমরা সবাই সেবক। মমতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখে পৌরসভাকে একটি আদর্শ পৌরসভায় রূপ দেওয়াই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

ফিরহাদ হাকিমের বয়স ৬২ বছর। এবার তিনি পৌর করপোরেশনের ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে লড়ে ১৭ হাজার ৬০৯ ভোটের ব্যবধানে জয় পান। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির প্রার্থী প্রতাপ সোনকার পেয়েছিলেন ২ হাজার ৬৯৩ ভোট।

ফিরহাদ হাকিম ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের ৭ মে পর্যন্ত কলকাতার মেয়র ছিলেন। নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ায় পৌরসভা ভেঙে দিয়ে তাঁকে পৌর করপোরেশনের মুখ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা করা হয়। তখন থেকে এ দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন