বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়, এই রাজ্যের ২৩টি জেলার মধ্যে ১৯টি জেলায় এদিন করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। আর বাকি ৪টি জেলায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলা চারটি হলো উত্তর চব্বিশ পরগনা (১), হুগলি (৩), পশ্চিম বর্ধমান (২) ও নদীয়া (২) জন। কলকাতার পাশাপাশি অপর যে ১৯ জেলায় কারও মৃত্যু হয়নি, সেগুলো হলো আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও কলকাতা জেলা।

তবে কলকাতাসহ রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ কমে এলেও এই রাজ্যের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র দার্জিলিং এবং দীঘা, মন্দারমণি, বকখালি ও তাজপুরে প্রচুর পর্যটকের ভিড় নামায় প্রশাসন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আতঙ্কে এই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারও কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, করোনার টিকা অথবা করোনার নেগেটিভ সনদ ছাড়া কোনো পর্যটককে যেন পর্যটনকেন্দ্রের কোনো হোটেলে ঠাঁই দেওয়া না হয়। এ লক্ষ্যে রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে । প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্রে করোনাবিধি মেনে থাকতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুলেটিনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় এই রাজ্যের পর্যটনকেন্দ্র দার্জিলিংয়ে সর্বাধিক সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। এই সংখ্যা ৮৯। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ৬৪ জন করে সংক্রমিত হয়েছে। এ ছাড়া বাঁকুড়ায় ৭২ এবং কলকাতায় ৬২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, এই রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৯৯ জন। আর করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৪২ জন। তবে এখনো এই রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি–বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন ১৩ হাজার ৩৩৩ জন। এ নিয়ে এই রাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৩৮০ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৮৬ হাজার ৫৯ জন। আর এখন পর্যন্ত এই রাজ্যে মোট মারা গেছেন ১৭ হাজার ৯৮৮ জন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন