বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, এই রাজ্যের কলকাতাসহ ২৩টি জেলার মধ্যে গতকাল সোমবার করোনায় মৃত্যুহীন জেলা ছিল ১৫টি। এই জেলাগুলো হলো আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ও কলকাতা। এ ছাড়া জলপাইগুড়ির একজন, নদীয়ার চারজন, পূর্ব মেদিনীপুরে একজন, পূর্ব বর্ধমানে একজন, হাওড়ায় একজন, হুগলিতে দুজন, উত্তর চব্বিশ পরগনায় দুজন এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় একজন মারা যান।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে দুর্গোৎসব। এই উৎসব ঘিরে করোনার সংক্রমণ যাতে না বাড়ে, সে জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। কারণ, পূজা মৌসুমেই এই রাজ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগাম সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে মানুষের চলাচলে মাস্ক ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যে আংশিক লকডাউন বলবৎ রয়েছে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ ছাড়া গতকাল মাস্ক না পরার অপরাধে রাজ্য পুলিশ ১ হাজার ২০২ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছে। কলকাতা পৌর করপোরেশনের মুখ্য প্রশাসক ও রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ‘কলকাতা পৌরসভা এখন প্রায় করোনামুক্ত। আমরা পূজা মৌসুমে করোনা প্রতিরোধের সার্বিক ব্যবস্থা নিয়েছি।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৬৪ জন। আর এখন বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন ৮ হাজার ৪৮০ জন। এই নিয়ে রাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হলেন ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৫৭৬ জন। আর সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত রাজ্যে মারা গেছেন ১৮ হাজার ৫১৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় এই রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৬ হাজার ৩৩৮ জনের। আর সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত এই রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১ কোটি ৭২ লাখ ৩৬ হাজার ৫২৭ জনের।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন