বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এই ভাস্কর্যের উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবদান চিরস্মরণীয়। ভারতের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা আমাদের বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছে। ভারত আমাদের ১ কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ রেখেছে।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলকাতায় তাঁর জীবনের একটি মূল্যবান সময় কাটিয়েছেন। এখানের ইসলামিয়া কলেজের (বর্তমানে মওলানা আজাদ কলেজ) পড়াশোনা করেছেন ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত। ছিলেন কলকাতার সরকারি বেকার হোস্টেলের আবাসিকে। ছিলেন তিনি বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষে। সেই কক্ষ আজ বঙ্গবন্ধুর নামে তৈরি করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষ হিসেবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান। তিনিও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন বঙ্গবন্ধুর অবদানকে।

default-image

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর আগে আজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। বিকেলে ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, লেখক ও গবেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর এ এস এম শামসুল আরেফিন, সাংবাদিক পঙ্কজ সাহা, কলকাতা উপহাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) মো. শামসুল আরিফ প্রমুখ।

আলোচনা সভার পর বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসকে নিয়ে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন নির্মিত বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। সেই তথ্যচিত্রে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে কলকাতার যে প্রখ্যাত শিল্পী গান গেয়েছিলেন, সেই সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের একটি সাক্ষাৎকারও দেখানো হয়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন