বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশের সব বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর কর্মকর্তাসহ বিদেশের শিল্পপতিরা যোগ দেওয়ায় খুশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি বলেন, ‘এই সম্মেলন প্রমাণ করে দিয়েছে কেন আমরা ডেস্টিনেশন বাংলা কথাটার ওপর বেশি জোর দিচ্ছি। এবারের সম্মেলনে দেশের অধিকাংশ বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৪২টি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন। দুদিনের বৈঠকে বিভিন্ন দেশের মধ্যে শিল্পে বিনিয়োগসংক্রান্ত ১৩৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা এযাবৎ অনুষ্ঠিত হওয়া সম্মেলনের ইতিহাসে একটি রেকর্ড।’

মমতা বলেন, এই বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ১০ বছরের মধ্যে দেশের সব রাজ্যকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে আসবে এই বাংলা। এ সময় এই বাণিজ্য সম্মেলনকে এই বাংলায় এক ঐতিহাসিক ‘বিনিয়োগ উৎসব’ বলে অভিহিত করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এর আগে বুধবার সম্মেলন শুরুর দিন পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিবিদ ও বিজেপির দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ি বলেছেন, সরকার তো বারবার বিনিয়োগের প্রস্তাবের কথা বলছে, কিন্তু সেই প্রস্তাবের কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তার কথা বলছেন না। এবার সেটা রাজ্যবাসীকে বলুক।

default-image

বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাংলাদেশও চাইছে ভারতে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে। তিনি বৃহস্পতিবার কলকাতায় ভারত চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক সেমিনারে যোগ দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ এখন শিল্পায়নের ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্য আগামী ৫ বছরে বেড়ে তা দাঁড়াবে ১ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি আরও বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। আমাদের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের পরিমাণও উত্তরোত্তর বাড়ছে। বাংলাদেশ এখন শিল্পায়নে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা সামনের দিকে চলেছি। আমরাও চাই পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে।’

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন