বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বুথফেরত সমীক্ষায় রোববার বলা হয়েছিল, বিপুল ভোটে জিতবে তৃণমূল। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছিল, তৃণমূল পেতে পারে ৫৮ শতাংশ ভোট। বিজেপি ২৮, বামফ্রন্ট ৫, কংগ্রেস ৭ এবং অন্যরা ২ শতাংশ ভোট পেতে পারে। আর ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে তৃণমূল পেতে পারে ১৩১, বিজেপি ১৩ এবং বাম দল, কংগ্রেস অন্যরা শূন্য আসন পেতে পারে। ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী বাম দল ও কংগ্রেসকে শূন্য করতে পারেনি। সর্বশেষ ২০১৫ সালে নির্বাচনে তৃণমূল ১১৪, বিজেপি ৭, বামফ্রন্ট ১৫, কংগ্রেস ৫টি আসন এবং অন্যরা ৩টি আসনে জিতেছিল।

ফলে তৃণমূল নেতারা বারবার নির্বাচনী প্রচারে করপোরেশনকে বিরোধী শূন্য করার ঘোষণা দিলেও ফলাফলে বরং বাম দল ৪টি ও কংগ্রেস ২টি আসন ছিনিয়ে নিয়েছে। এমনকি নির্দলীয় প্রার্থীরাও ২টি আসন পেয়েছে। ফলে তৃণমূলে পৌর করপোরেশনকে বিরোধী শূন্য করার ঘোষণা দিলেও কার্যত তা হয়নি।

ভোটের আগে তৃণমূল থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, এবারের পৌর ভোটে কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। শুধু তা–ই নয়, ভোটে কেউ কারচুপি ও সন্ত্রাস করলে, অশান্তি করলে তৃণমূল তাঁদের দল থেকে তাড়িয়ে দেবে। কিন্তু কার্যত তৃণমূল ব্যাপক কারচুপি করে নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়ার জন্য ব্যাপক সন্ত্রাসের আশ্রয় নিয়েছে। যাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ, তাঁদের কাউকে দল তাড়িয়েও দেয়নি।

পশ্চিমবঙ্গের বিরোধীদলীয় নেতা ও বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এই পৌর ভোট বাতিলের দাবি করে নতুন করে ভোট গ্রহণের দাবি তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ন্যূনতম গণতন্ত্র নেই এ বাংলায়। পৌর ভোটের নামে কলকাতায় চলেছে প্রহসন। শুভেন্দুর দাবি, ভোট হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। আর ৮০ শতাংশ হয়েছে চুরি। যদিও শাসক দল এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন