default-image

ভারতের শক্তি ও ধৈর্যের পরীক্ষা কেউ করতে চাইলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ শনিবার দীপাবলির দিন রাজস্থানের জয়সলমিরের সীমান্ত ঘাঁটি লঙ্গেওয়ালায় সেনানীদের সঙ্গে দিনটি কাটানোর সময় প্রধানমন্ত্রী এই হুঁশিয়ারি দেন।

গত জুনে রক্তাক্ত হয় পূর্ব লাদাখের গিরি প্রান্তর। মারা গিয়েছিলেন ২০ জন ভারতীয় সেনা। গতকাল শুক্রবার অশান্ত হয়ে ওঠে পশ্চিম সীমান্তের নিয়ন্ত্রণরেখা। পাকিস্তানি সেনাদের সংঘর্ষ বিরতির জবাব দিয়েছেন ভারতীয় জওয়ানেরা। দুই পক্ষে নিহত হন ১৫ জন।

লঙ্গেওয়ালায় সেনা সমাবেশে মোদি বলেন, ভারত সবাইকে নিয়ে চলতে চায়।

বিজ্ঞাপন

বোঝাপড়া করে বাঁচতে চায়। সমঝোতার কথা বলে। কিন্তু কেউ যদি তার ভুল ব্যাখ্যা করে, শক্তি ও ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে চায়, ভারত তা হলে যথাযথ জবাব দেবে।

পাকিস্তানি হামলার পরদিন এই হুঁশিয়ারির সময় প্রধানমন্ত্রী মোদির নজরে স্পষ্টত চীনও ছিল। তবে উত্তর বা পশ্চিম কোনো প্রতিবেশীর নাম না করে তিনি বলেন, কোনো কোনো সম্প্রসারণবাদী শক্তি এখনো অষ্টাদশ শতকের মানসিকতা আঁকড়ে ধরে আছে।

ভারতের সহনশীলতা ও ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে গেলে তারা প্রচণ্ড জবাব পাবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সেনাদের দায়িত্ব সীমান্ত রক্ষার। কেউ তাতে বাধা দিতে পারে না। যারাই চ্যালেঞ্জ জানায়, তাদেরই উপযুক্ত জবাব দেওয়া হয়। সারা পৃথিবী জানে, ভারত তার স্বার্থের সঙ্গে সমঝোতা করে না।’

default-image

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বছর (২০১৪) থেকেই নরেন্দ্র মোদি দীপাবলির দিন ‘ফরোয়ার্ড বেস’-এ ভারতীয় জওয়ানদের সঙ্গে কাটান। দীপাবলির মিষ্টি বিতরণ করেন। এবারও তার অন্যথা হয়নি। রাজস্থানের জয়সলমিরে পাকিস্তান সীমান্তে শেষ ভারতীয় ঘাঁটি লঙ্গেওয়ালায় দিনটা কাটান। সেনা সমাবেশে তিনি বলেন, ‘আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেন, প্রতিবছর এই দিনটা আমি কেন জওয়ানদের সঙ্গে কাটাই। উত্তরে আমি বলি, উৎসবের দিনগুলো সবাই পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে কাটাতে চান।

আপনজনদের কাছে থাকতে চান। আমিও তা-ই করি। পরিবার ও আপনজনদের মধ্যে কাটাই। আপনারাই আমার পরিবার।’ দীপাবলি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী জওয়ানদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন। তাঁর কথায়, ‘এই মিষ্টি আমি নই, ১৩০ কোটি ভারতবাসীর উপহার।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0