বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার এবারের নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর কাছে ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে পরাজিত হন মমতা।

নন্দীগ্রামে মমতা হেরে গেলেও সংবিধান মেনে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করে। সাংবিধানিক বিধি হলো ছয় মাসের মধ্যে মমতাকে রাজ্যের যেকোনো একটি বিধানসভা আসন থেকে জিতে আসতে হবে।

মমতাকে ভবানীপুর আসন থেকে জেতানোর লক্ষ্যে সেখানকার নির্বাচিত তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেন। এতে ভবানীপুর আসনটি শূন্য হয়। সেই আসনের উপনির্বাচনে লড়েন মমতা।

৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন হয়। উপনির্বাচনের ভোট গণনার পর আজই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। এই আসনে ২০১১ ও ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা জয়ী হয়েছিলেন।

উপনির্বাচনে ১২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে মূল লড়াই হয় তৃণমূল প্রার্থী মমতার সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী প্রিয়াংকা টিবরেওয়ালের।

জয়ের ব্যাপারে তৃণমূল আশাবাদী। তাদের ভাষ্য, উপনির্বাচনে মমতাই জিতবেন। তিনিই থাকবেন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে।

অন্যদিকে, জয়ের আশা ছাড়ছে না বিজেপি। দলটির দাবি, মমতা যেমন ভাবছেন, তেমনটা নাও হতে পারে। উল্টেও যেতে পারে তৃণমূলের সব হিসাব-নিকাশ। জয়ী হতে পারেন তাদের প্রার্থী প্রিয়াংকা।

প্রচার পর্বে তৃণমূল বারবার ঘোষণা দেয়, এ উপনির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটে মমতা হারিয়ে দেবেন বিজেপির প্রার্থী প্রিয়াংকাকে। অন্তত এক লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে মমতা জিতবেন।

কিন্তু ভোটদানের হার হতাশ করে তৃণমূলকে। ভবানীপুর আসনের উপনির্বাচনে ৫৭ শতাংশ ভোট পড়ে। এই আসনের ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার ৪৫৬ জন।

৩০ সেপ্টেম্বর ভোটের পর কলকাতা পৌর করপোরেশনের মুখ্য প্রশাসক ও রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, মমতা ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতবেন।

আজ আরও দুটি আসনের উপনির্বাচনের ভোট গণনা হচ্ছে। এই দুই আসন হলো মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর ও শমসেরগঞ্জ। এ দুই আসনেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তৃণমূল।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন