বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রণজিৎ কুমার পারিদা মুরগিগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন বিয়ের আয়োজকপক্ষের কাছে। কিন্তু তারা তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে পারিদা এ নিয়ে থানা-পুলিশে রীতিমতো অভিযোগও করেন।

পারিদা বলেন, ঘটনার সময় মুরগিগুলো আতঙ্কিত হয়ে পড়ায় তিনি ব্যান্ড অপারেটরকে শব্দের মাত্রা কমানোর অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা তাতে কান দেয়নি। উল্টো তাঁর সঙ্গে আয়োজকপক্ষের লোকজন উত্তেজিত হয়ে কথা বলেন।

এ বিষয়ে প্রাণী গবেষক অধ্যাপক সূর্যকান্ত মিশ্র হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, উচ্চ শব্দ পাখিদের হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তিনি বলেন, মুরগির জীবন চলে ‘সার্কাডিয়ান’ ছন্দে।

অর্থাৎ তাদের জীবন নিয়ন্ত্রিত হয় দিনের আলো ও রাতের আঁধারের চক্রকে কেন্দ্র করে। ফলে উচ্চ শব্দের গানে হঠাৎ উত্তেজনা বা চাপ তৈরি হয়ে তাদের জৈবিক ঘড়িকে ব্যাহত করতে পারে।

তবে পরে দুই পক্ষ এই ঘটনায় একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছে। সেখানকার পুলিশ কর্মকর্তা ধ্রুপদী দাস বলেন, পুলিশের উদ্যোগে দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছে। পারিদা থানা থেকে তাঁর অভিযোগ তুলে নিয়েছেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন