বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোববার বিজেপির সাংগঠনিক ভারপ্রাপ্ত সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষের উপস্থিতিতে পরিষদীয় দল নতুন নেতা নির্বাচন করবে। সংবাদ সম্মেলন ডেকে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে দায়িত্ব বদলায়। এত দিন মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছি। এবার দল অন্য যে দায়িত্ব দেবে, একনিষ্ঠ সৈনিক হিসেবে সেই দায়িত্ব পালন করব।’

আগামী বছরের ডিসেম্বরে গুজরাট বিধানসভার ভোট। ঘর গোছাতে ও দলীয় অসন্তোষ সামলাতে তার অনেক আগেই মুখ্যমন্ত্রীকে বদলের সিদ্ধান্ত নিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। জাতপাতভিত্তিক গুজরাটের রাজনীতিতে প্যাটেল সম্প্রদায় বরাবর ছড়ি ঘুরিয়েছে। বিজয় রুপানি জৈন সম্প্রদায়ভুক্ত।

২০১৬ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন প্যাটেলকে সরিয়ে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছিল। সেই থেকে শাসকদলীয় রাজনীতিতে প্যাটেলরা কিছুটা কোণঠাসা। সামাজিক ও রাজনৈতিক স্তরে তার কিছুটা অন্য ধরনের প্রতিফলনও ঘটেছে। সরকারের নানা সিদ্ধান্ত নিয়ে হাইকোর্ট সমালোচনা করেছেন। বিরূপ মন্তব্যও করেছেন। করোনা মোকাবিলার ব্যর্থতার দরুন রাজ্য সরকারকে তিরস্কৃত হতে হয়েছে। একাধিক হাসপাতালে আগুন লেগে বহু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। লাভ জিহাদ আইন প্রণয়নের চেষ্টা নিয়েও আদালত নানা প্রশ্ন তুলেছেন। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় প্যাটেল সম্প্রদায়। তারা ক্ষুব্ধ। দেড় বছর আগে তাই ভোটের ঘুঁটি সাজাতে রুপানিকে সরিয়ে দিলেন দুই গুজরাটি নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লিতে দলের এক নেতার কথায়, ‘প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার মোকাবিলায় আগেভাগে ব্যবস্থা নিল দল। ভোটের আগে নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে গুছিয়ে নেওয়ার অনেক সময় দিতে এই সিদ্ধান্ত।’

দলীয় সূত্র অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা যাঁদের, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুখ মান্ডবিয়া ও পুরুষোত্তম রুপালা। এঁদের সঙ্গেই রয়েছেন বিদায়ী উপমুখ্যমন্ত্রী নিতিন প্যাটেল। এই তিনজনই প্যাটেল সম্প্রদায়ের। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি অবশ্য গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই দল বিধানসভা ভোটে লড়বে ও জিতবে। ১৯৯৮ সাল থেকে টানা ২৩ বছর গুজরাট শাসন করছে বিজেপি। ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মোদি ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন