বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অগ্নি–৫ একটি আইসিবিএম বা আন্তমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটিতে তিন স্তরের ইঞ্জিন রয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি পাঁচ হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে সুনিপুণভাবে আঘাত হানতে পারে। এমনকি চীনের মূল ভূখণ্ডেও আঘাত হানতে সক্ষম এটি। তবে আক্রান্ত না হলে আগে ক্ষেপণাস্ত্রটির ব্যবহার করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছে ভারত সরকার।

পারমাণবিক শক্তিসমৃদ্ধ দেশ ভারতের কাছে অগ্নি–১ থেকে ৫ সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। দেশটির ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশনের (ডিআরডিও) তৈরি করা এসব ক্ষেপণাস্ত্র ৭০০ কিলোমিটার থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজারের বেশি কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে পারে।

অগ্নি সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আধুনিক পারমাণবিক শক্তিসমৃদ্ধ অগ্নি প্রাইম ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। গত জুনে ওডিশার উপকূলে এই ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা চালিয়েছিল ভারত।

লাদাখ ও অরুণাচলসহ কয়েকটি জায়গায় সীমান্ত নিয়ে চীন–ভারতের বিরোধ রয়েছে। কয়েক দফায় সীমান্ত সংঘাতের জড়িয়েছে দেশ দুটি। চীনের সংসদে গত শনিবার নতুন একটি স্থলসীমান্ত আইন পাস করা হয়েছে। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন এই আইনের উদ্দেশ্য স্থলসীমান্তের সুরক্ষা।

এই আইন অনুযায়ী, চীনের সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সরকারি সংস্থা সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি শত্রুর মোকাবিলায় স্থানীয় অসামরিক বাসিন্দাদের প্রথম ঢাল হিসেবে উপযুক্তভাবে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে পারবে। সেই লক্ষ্যে এসব অঞ্চলে আরও অনেক সীমান্ত শহর গড়ে তোলা যাবে।

ভারত এতে আপত্তি জানিয়েছে। দেশটি মনে করছে, দুই দেশের সীমান্তের বহু অঞ্চল এখনো বিতর্কিত ও অমিমাংসিত। এই অবস্থায় নতুন আইন অনুযায়ী কিছু করলে তা সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় ব্যাঘাত ঘটাবে। সীমান্তে অবকাঠামো তৈরিসহ অন্যান্য কাজ হাতে নিলে একতরফাভাবে সীমান্ত পরিস্থিতি বদলে যাবে।

শুধু তিব্বতেই চীন ইতিমধ্যে ৬০০-র বেশি সীমান্ত শহর তৈরি করেছে বলে ভারতের দাবি। এই পরিস্থিতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত আশা করে নতুন এই আইনের আড়ালে চীন এমন কিছু করবে না, যা চীন-ভারত সীমান্ত অবস্থান একতরফাভাবে বদলে দেয়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন