বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ ঘটনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, আসামের রাজধানী গুয়াহাটির হেঙ্গেরাবাড়ি এলাকার একটি বাসায় চোর ঢোকে। ওই সময় বাড়ির লোকজন বাইরে ছিলেন। বাড়ি ফাঁকা পেয়ে হেঁশেলে ঢুকে খিচুড়ি রান্না করেন ওই চোর।

তবে ফাঁকা বাড়ির রান্নাঘর থেকে বাসনপত্রের টুংটাং আওয়াজ নজর কাড়ে প্রতিবেশীদের। তাঁরা ওই বাড়ির কর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি বাইরে আছে জেনে তাঁরা নিশ্চিত হন বাড়িতে কেউ ঢুকেছেন, আর তিনিই এই আওয়াজ করছেন। তবে বাড়িতে চোর ঢুকে যে মজা করে খিচুড়ি রান্না করে খাচ্ছেন, সেটা ঘুণাক্ষরেও কেউ বুঝতে পারেননি।

পরে প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে ঢুকে রান্না–খাওয়ায় ব্যস্ত চোরকে পাকড়াও করেন, ডাকা হয় পুলিশ। পরে চোরকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ওই চোরকে যেতে হয় কারাগারে।

আসাম পুলিশের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার কথা জানিয়ে পোস্ট করা হয়। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘খিচুড়ির স্বাস্থ্যগত সুবিধা থাকলেও চুরির মাঝপথে এটা রান্না করা ভোগান্তির কারণ হতে পারে।’ পরে সেই পোস্ট ভাইরাল হয়। অনেকেই মজা করে তা শেয়ার করেছেন। তবে ঘটনাটি কবে ঘটেছে, তা জানায়নি পুলিশ।

২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এমন একটি ঘটনার কথা জানা গিয়েছিল। ওই সময় এক চোর একটি রেস্তোরাঁয় ঢুকে রান্না করে খেয়ে আলোচনায় এসেছিলেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন